Crash Test-এ শূন্য! যাত্রী সুরক্ষায় ডাহা ফেল করে গেল মারুতি সুজুকি সুইফট

9
Crash Test-এ শূন্য! যাত্রী সুরক্ষায় ডাহা ফেল করে গেল মারুতি সুজুকি সুইফট

যাত্রী সুরক্ষায় ডাহা ফেল করে গেল মারুতি সুজুকি সুইফট। ফ্রান্সের গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি রেনোঁর Latin NCAP Crash Test এ এসইউভি ডাস্টার ফেল করে গিয়েছে। বাজারে নতুন গাড়ি আসার পরপরই ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সকলের এই গাড়িটির প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। এখন এই গাড়িটি ফেল করে যাওয়াতে গ্রাহকদের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ঝাঁ চকচকে ডিজাইন ল্যাঙ্গোয়েজ নিয়ে দর্শকের মনে কৌতূহলের অন্ত ছিল না।

তবে দর্শকের সকল আশায় জল ঢেলে দিয়েছে এই পরীক্ষা। টানা কয়েক বছর হ্যাচব্যাক সেগমেন্টে কোম্পানির সেরা বিক্রির তালিকায় ছিল Swift। তবে তার পরেও NCAP Crash Test-এ শূন্য পেয়েছে এই গাড়ি। রোনোঁর এসইউভি ডাস্টারটির অবস্থাও একই। Latin NCAP Crash Test-এ শূন্য স্কোর করেছে এই গাড়িটিও। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান নিউ কার অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রামের পর এই স্কোরকার্ড পেল দুটি জনপ্রিয় মডেলের গাড়ি। গ্রাহকের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এই দুটি গাড়ি।

মারুতি সুজুকি সুইফট ভারতে ছাড়াও জাপানে তৈরি করা হয়। দুটো ভার্সনেই ডুয়েল এয়ারব্যাগ স্ট্যানডার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ওই টেস্টে জানানো হয়েছে Maruti Suzuki Swift গ্রাহককে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ। অ্যাডাল্ট অকুপেশন বক্সে ১৫.৫৩ নম্বর পেয়েছে এই গাড়িটি। চাইল্ড অকুপেন্ট বক্সেও শূন্য পেয়েছে এই গাড়ি। পেডেস্টেরিয়ান প্রোটেকশনে পেয়েছে ৬৬.৭ শতাংশ। সাইড ইমপ্যাক্ট প্রোটেকশনেও ব্যর্থ হয়েছে গাড়িটি। আবার হেড প্রোটকশনের বিষয়ে খুবই খারাপ ফল দিয়েছে সুইফট।

দরজা খোলার স্টাইলের জন্য UN95-এর নিয়ম মানা হয়নি। ২০১৮ সালেও সুরক্ষা পরীক্ষক সংস্থার রেটিংয়ে ২স্টার পেয়েছিল Maruti Suzuki Swift। ভারতের মডেলে ডুয়েল এয়ারব্যাগ স্ট্যানডার্ড হিসাবে দেওয়া ছিল এই গাড়িতে। ইউরোপিয়ান মডেলে ৬টা এয়ারব্যাগ ছাড়াও সুরক্ষার জন্য Electronic Stability Control (ESC) দেওয়া হয়েছিল গাড়ির স্ট্যান্ডার্ড ভার্সনে। ল্যাটিন আমেরিকায় সাইড বডি হেড এয়ারব্যাগ বা (ESC)সুরক্ষা দেওয়া হয়নি গাড়িতে। অতএব গ্রাহকের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।