আম্ফানের থেকেও বেশি শক্তিশালী হচ্ছে ‘যশ’ দ্রুত গতিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী

14
আম্ফানের থেকেও বেশি শক্তিশালী হচ্ছে 'যশ' দ্রুত গতিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী

ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করছে ঘূর্ণিঝড় যশ। বিগত এক বছর আগেকার আমফানের স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে এই ঘূর্ণিঝড়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় যশ কিন্তু আম্ফানের থেকেও বেশি শক্তিশালী। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের প্রতিটি প্রান্ত এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও প্রস্তুত।

আবহাওয়া দপ্তর এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে। এরপর ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করবে সেই ঘূর্ণিঝড়। মঙ্গলবার এর মধ্যেই প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে নিম্নচাপটি। এরপর ক্রমশ সেটি উত্তর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী স্থলভাগে আছড়ে পড়বে।

বুধবার যখন এই ঘূর্ণিঝড় সলোভাকিয়া আছড়ে পড়বে তখন তার গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় প্রায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার! এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। অতএব ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই চলে গিয়েছেন তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য উপকূল রক্ষী বাহিনী তরফ থেকে সমুদ্রে হেলিকপ্টার টহল দেওয়া হচ্ছে।

সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ, গোসাবাসহ অন্যান্য জায়গায় খাঁড়ি থেকে মৎস্যজীবীদের ফেরানোর কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। একইসঙ্গে সাইক্লোন সেন্টারগুলিকেও স্যানিটাইজ করে রাখা হয়েছে। যাতে সাইক্লোন সেন্টারগুলি থেকে করোনা ছড়িয়ে না পড়ে। সোমবার থেকেই উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।