এক মাসের মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হল সেক্স টয়ের দোকান

10
এক মাসের মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হল সেক্স টয়ের দোকান

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খবর এক মুহূর্তে পেয়ে যাই। সোশ্যাল মিডিয়া এর আগেও ছিল কিন্তু করোনা আবহে দীর্ঘ লকডাউন এর জেরে মানুষের ঘর বন্দিদশার সময় এই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছিল একমাত্র ভরসা। যার ফলে সোশ্যাল মিডিয়া এখন বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে একটি মজবুত প্ল্যাটফর্ম।

সম্প্রতি যে খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তা হল, একটি সেক্স টয়ের দোকান বন্ধ করে দেয়া হলো যা আমাদের দেশে প্রথম দোকান ছিল। এই ধরনের একটি দোকান খোলা হয়েছিল গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারি অঞ্চলে গোয়ার কালাঙ্গুটে অঞ্চলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় দোকানটি কিন্তু ওই দোকানটি মাসখানেক চলার পরে হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

যার উত্তর সঠিক পাওয়া যায়নি কেন বা কি কারণে এটি বন্ধ হল কালাঙ্গুটে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ট্রেড লাইসেন্স না থাকার কারণে নাকি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দোকান। কিন্তু তবুও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে শুধুই কি শুল্ক বাণিজ্যিক আইন ভঙ্গ? তবে গুঞ্জন শোনা গেছে যে, প্রকাশ্যে এ ধরনের সরঞ্জামের দোকান থাকায় প্রচুর আপত্তিও উঠেছিল। তাই এই জাতীয় দোকানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দোকানটির নাম ছিল কামা গীজমোজ যা প্রচুর পরিমাণ ভাইরাল হয়।

অতি মারি সময়ে অনলাইনে সেক্স টয়ের বিক্রি ৬৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল যার ফলে এদিকে নজর রেখে তারা অফলাইনে এই ধরনের একটি দোকান খোলার কথা ভাবনা চিন্তা করে। কামারকাট ও গিজমোজওয়ালা নামে স দুটি সংস্থা যৌথভাবেই এই দোকানটি খোলার পরিকল্পনা করে। অনলাইনে ভাল ব্যবসা করায় গোয়ার এই গ্রামে দোকানটি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা।

কিন্তু গ্রামের মধ্যে এ ধরনের দোকান খোলা গ্রামবাসীদের অত্যন্ত আপত্তি ছিল এবং গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জানানো হয়েছে, বহু স্থানীয় মানুষ এই দোকানের বিরোধিতা করছে যার জোরে অভিযোগও দায়ের হয়েছে। এদেশে এ ধরনের দোকান খোলা যায় কী ? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতে এমন কোনো আইন নেই যা এ ধরনের দোকানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার কথা বলে।

কিন্তু সমাজ এ ধরনের বিষয় মেনে নেয় না, সমাজকে বাদ দিয়ে মানুষের অস্তিত্ব কিছু হয় না। আমরা সমাজবদ্ধ জীব, তাই সমাজের প্রাধান্য আমাদের দিতেই হবে। হয়তো সেই সুবাদেই এই ধরনের দোকান চলতে দেওয়া সম্ভব হয়নি। পাশ্চাত্য দেশে এই সমস্ত বিষয় সাধারণ হলেও আজও আমাদের দেশে এই সেক্সুয়াল বিষয় ক্যাজুয়াল নয়। আমাদের রীতিনীতিতে প্রকাশ্যে এসব বিষয় তা অসভ্য তম হিসেবে বিবেচিত হয়।