নারদা স্ট্রিং অপারেশনে কেন বাদ পড়লো দুই বিজেপি নেতার নাম? উঠছে নানা প্রশ্ন

13
নারদা স্ট্রিং অপারেশনে কেন বাদ পড়লো দুই বিজেপি নেতার নাম? উঠছে নানা প্রশ্ন

২০১৪ সালের নারদা স্ট্রিং অপারেশনে কার্যত জেরবার তৃণমূল শিবির। বেআইনিভাবে আর্থিক লেনদেনের স্টিং অপারেশন সম্পর্কিত ওই ভিডিওতে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, অপরূপা পোদ্দার, শঙ্কুদেব পণ্ডা, আইপিএস অফিসার এস এম এইচ মির্জার নাম জড়ায়। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই।

ম্যাথু স্যামুয়েল এবং তার সহকর্মী অ্যাঞ্জেল আব্রাহাম মোট ৫২ ঘণ্টার একটি বিস্ফোরক স্টিং অপারেশনের ভিডিও জনসমক্ষে আনেন। যেখানে দেখা যায় তৃণমূল শিবিরের তাবড় তাবড় নেতা-নেত্রীরা মোটা টাকার বিনিময় কোনও কাজ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন! তৃণমূল শিবির অবশ্য বারংবার এই ভিডিওর সত‌্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে।

তবে বিরোধী শিবির বারংবার এই একই প্রসঙ্গ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে এসেছে। এবার একে একে নারদা কান্ডের সঙ্গে জড়িত নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পথে এগিয়ে চলেছে সিবিআই। প্রসঙ্গত এই লিস্টে শুভেন্দু অধিকারী এবং মুকুল রায়ের মতো বিজেপি নেতার নামও রয়েছে। তবে তালিকা থেকে অবশ্য বাদ পড়েছেন দুজনেই। যদিও অন্যান্যদের মতো তাদের দুজনকেও ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল।

নারদা কান্ডের সঙ্গে জড়িত নেতা নেত্রীদের ভয়েস রেকর্ড করে তা ল্যাবে টেস্টিং এর জন্য পাঠিয়েছিল সিবিআই। ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রের ভয়েসের সঙ্গে ভিডিওর ভয়েস মিলে গিয়েছে বলে জানাচ্ছে সিবিআই। আপাতত সকলেই বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। নারুদা কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে সিবিআই।