চিঠিপত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন পায়রাকেই বেছে নেওয়া হতো? কারন জানলে অবাক হবেন

8
চিঠিপত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন পায়রাকেই বেছে নেওয়া হতো? কারন জানলে অবাক হবেন

একটা সময় ছিল যখন কিনা কোনো এক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পায়রাকে বেছে নেওয়া হতো। আজ্ঞে হ্যাঁ শুনে অনেকেরই অবাক লাগছে তবে, কথাটা কিন্তু সত্যি। এখন যেখানে ঘরে বসেই একটা মাত্র ক্লিকে বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, সেটাই আগে করা হত শুধুমাত্র পায়রার মাধ্যমে। আসলে পায়রা দিয়ে যে চিঠি লেনদেন এটা বিভিন্ন ছবিতেও দেখানো হয়েছে যা একটা সময়ের প্রচলন। তবে কিছু কিছু জায়গায় এখনও এই প্রথা চালু রয়েছে। সময়ের সাথে সাথে টেকনোলজি এসেছে ও তা উন্নতও হয়েছে। জি মেল, হোয়াটসঅ্যাপ, থেকে শুরু করে আরো কতকিছু সব কিন্তু টেকনোলজির দৌলতে।

একটা সময় দুর্গম প্রান্তে যেখানে মানুষ পৌঁছোতে পারত না, সেখানেই পৌছোতো পায়রা। তখনকার দিনে ভরসা ছিল একটাই পায়রা। এই পায়রাকেই প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তার জন্য পায়রা কে বিশেষ ভাবে ট্রেনিং পর্যন্ত দেওয়া হত। সব ক্ষেত্রে বিশেষ করে সেনাবাহিনীর বার্তা পৌঁছে দিতেও এই পায়রাই ছিল সম্বল। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় এই পায়রা দিয়ে চিঠি আদান প্রদান মিশরে প্রথম শুরু হয়েছিল কিন্তু সেটা সময়ের সাথে সাথে সবার মধ্যে ছড়িয়ে যায়।

তবে প্রশ্ন হল যেখানে টিয়া কাকাতুয়া মানুষের কথা ও ভাবভঙ্গি রপ্ত করতে পটু, সেখানে পায়রাকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া কেন? আমরা সবাই পায়রা পালতে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ বোধ করি, কারণ এই পাখি অনেকটাই স্বাধীনচেতা ও উপকারী। এই পায়রার মধ্যে একটা অদ্ভুত রকমের রাস্তা চেনার ক্ষমতা রয়েছে। যদি অজানা কোনো জায়গায় পায়রাকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে নাকি পায়রা সহজেই রাস্তা খুঁজে বাড়ি ফিরে আসে, জানা গেছে পাখিরা নাকি ম্যাগনেটোরিসেপশনের মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারে ও সূর্যের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে নাকি তারা সহজেই বাড়ি ফিরে আসতে পারে। তাহলে এত ক্ষমতা সম্পন্ন পাখিকে কেন বেছে নেওয়া হবে না এই কাজের জন্য?