বিরিয়ানির হাঁড়িতে লালসালু ছড়ানো থাকে কেন? জানলে অবাক হবেন!

99
বিরিয়ানির হাঁড়িতে লালসালু ছড়ানো থাকে কেন? জানলে অবাক হবেন!

বাঙ্গালীদের আগে প্রিয় খাদ্য ছিল মাছ ভাত। এখন মাছ-ভাত ছেড়ে তারা বিরিয়ানির প্রেমে পড়েছে। বিরিয়ানি সূত্রপাত হয় দিল্লিও লখনৌ থেকে। এখন মফস্বল থেকে কলকাতাবাসী সবাই বিরিয়ানির জয়জয়কার করছে। বড় হাঁড়িতে লালসালু যেন প্রেমিকদের কাছে সিগন্যালের মত দেখা দেয়। কিন্তু কেন এই বিরিয়ানির হাঁড়িতে লালসালু ছড়ানো থাকে তা কখনো ভেবে দেখেছেন? বিদেশীরা আসলে তাদেরকে সংবর্ধনা জানানোর জন্য লাল রংয়ের গালিচাই দেওয়া হয় অন্য কোন রং তখন ব্যবহার করা হয় না। একেক দেশে একেক কারণে লাল রং ব্যবহার করা হয়। কখনো বা বিপদ সংকেত হিসেবে, কখনো যুদ্ধ ঘোষণার জন্য কখনো বা প্রেমের রং হিসেবে এই লাল রং কে বেছে নেওয়া হয়।

এর পথ প্রদর্শক ছিলেন কিন্তু হুমায়ূন মায়ের যখন নিজের রাজত্ব হারিয়ে পারস্যে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন তখন রুপোলি পাত্রের খাবারগুলোর জন্য লাল কাপড় আর ধাতব ও চিনামাটির জন্য সাদা কাপড় দিয়ে ডেকে নিয়ে আসা হতো। সম্মানিত ব্যক্তি বা আধ্যাত্মিক সাধকদের জন্য ছিল লাল পাগড়ির ব্যবস্থা।

বিরিয়ানি ভারতে প্রথম চালু হয় মুঘল আমলে। খাদ্য পরিবেশনের এই ব্যবহারের নবাব অনুসরণ করতেন।সমাজে তাই অভিজাত্য, বনেদি, উষ্ণতা প্রকাশে লাল বা লাল শালুর ব্যবহার চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। বিরিয়ানি যেহেতু আভিজাত্য দের খাবার তাই বিরিয়ানির হাঁড়িতে লালসালু ব্যবহার করা হয়।