হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের হাত খালি থাকা উচিৎ নয় কেন? জানুন

7
হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের হাত খালি থাকা উচিৎ নয় কেন? জানুন

একমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বী মহিলাদের সাজগোজ দেখলেই বোঝা যায় যে তাঁদের বিয়ে হয়েছে নাকি তাঁরা অবিবাহিতা। হিন্দু ধর্মে বিবাহিতা মহিলাদের সাজগোজকে ষোলা শৃঙ্গার বলা হয়। এই ধর্মের বিবাহিতা মহিলারা এমন কিছু পরেন যা অবিবাহিতা মহিলারা পরেন না। যেমন মঙ্গলসূত্র, চুড়ি, শাঁখা-পলা সিঁদুর, লাল টিপ ইত্যাদি। যদিও যুগের সাথে সাথে সেসব এখন অতীত হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বিবাহিতা মহিলাদের সাজগোজেও এসেছে বিস্তর পরিবর্তন। কিন্তু ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখবেন একজন বিবাহিত মহিলা হাতে কয়েকটি চুড়ি অথবা লাল পলা অবশ্যই পরবেন।

হিন্দু ধর্ম মতে, বিবাহিত মহিলাদের খালি হাতে থাকা উচিত নয়। কারণস্বরূপ বলা যায়, তাদের হাতের চুড়ি সংসারের সুখ-শান্তি ধরে রাখে, এমনকি স্বামীকে দীর্ঘায়ু দান করে। তাই যে সকল বিবাহিতা মহিলারা হাতে চুড়ি পড়েন তাঁদের দাম্পত্য জীবন সুখ-শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়। তাই একপ্রকার স্বামীকে নীরোগ জীবন দিতে বিবাহিতা মহিলার হাতে চুড়ি থাকা অবশ্যই প্রয়োজন।

অন্যদিকে বাস্তুশাস্ত্রে বলা রয়েছে মহিলাদের চুড়ির মাহাত্ম্য অনেক বেশি। এটি সংসারের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। তবে এর পেছনে রয়েছে একটি পজিটিভ এনার্জি। বাস্তু মতে, মহিলাদের হাতে পরা চুড়ির কারণে নানান কাজের মধ্য দিয়ে সারাদিন বাড়ির মধ্যে একটা সুন্দর টুংটাং শব্দ শোনা যায়। চুড়ি নড়লেই যে শব্দ তৈরী হয় তা পজিটিভ এনার্জি তৈরি করে।

বাস্তুশাস্ত্রে বলা মহিলাদের হাতে চুড়ি পরার বিষয়টিকে সমর্থন জানিয়েছে বিজ্ঞানও। বৈজ্ঞানিক ধারণা অনুযায়ী, মানুষের হাতের কব্জির ৬ ইঞ্চি নিচে একটি অ্যাকুপ্রসার পয়েন্ট থাকে। ওই বিশেষ জায়গায় চাপ দিয়ে শরীর একাধিক সমস্যা থেকে মুক্তি পায়। মহিলারা হাতে চুড়ি পরলে কাজ করার সময় ওই অ্যাকুপ্রেসার পয়েন্টে চুরির ঘষা লাগে এবং তাতে অনেক সময় চাপ সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে তৈরি হয় একটি বিশেষ এনার্জি যা রক্ত সঞ্চালনে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। এমনকি বিজ্ঞান মতে, এর মাধ্যমে দূর হতে পারে মহিলাদের হার্টের অসুখ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাও।