কেন মেয়েদেরই প্রতি পদে অপমানিত হতে হয়? ‘লিঙ্গ বৈষম্য’ নিয়ে সবর অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়

18
কেন মেয়েদেরই প্রতি পদে অপমানিত হতে হয়? 'লিঙ্গ বৈষম্য' নিয়ে সবর অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়

সম্প্রতি ‘লিঙ্গ বৈষম্য’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়। বেশ অনেকদিন পর আবার তার প্রতিবাদী সত্তা প্রকাশ্যে এলো। সম্পূর্ণ বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিনয় জগতের উদাহরণ দিয়েই।

সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন, “কেন মেয়েদেরই প্রত্যেকটা পদে অপমানিত হতে হয়, কেন তাদেরকে কেন্দ্র করে নানা কুমন্তব্য করা হয়, আজও কেন নানা সমালোচনার স্বীকার হতে হয় শুধুমাত্র মেয়েদেরকেই??”
অভিনেতা বলেছেন, “নিজের কাজের জায়গার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি মেয়েরাই এই লিঙ্গ বৈষম্যের স্বীকার। এখানে অনেক মেয়ে এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার, কস্টিউম ডিজাইনার অথবা কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন। তাঁদেরকে নিয়ে সেটে, শ্যুটিং ফ্লোরে নানা সামলোচনা চলে। অনেকেই তাদের সম্বন্ধে মন্তব্য করে থাকেন তাঁরা নাকি বাবু ধরে কাজ পেয়েছেন। তাঁরা কাজের কিছুই জানেন না। নানাধরনের অপমানজনক হাস্যকর নামেও আড়ালে আবডালে তাদেরকে সম্বোধন করা হয়। ”

অভিনেতা, কলাকুশলী কেউই বাদ জাননা এধরণের কটূক্তিকর মন্তব্য করতে। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও এই প্রসঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু এই ধরণের মন্তব্য একজন মেয়ে হয়ে আরেকজন মেয়েকে করা আরো বেশি অপমানজনক। যুক্তিসহ এও বলেছেন তিনি, “এই বৈষম্য সমাজের প্রত্যেকটা স্তরে প্রত্যেকটা পেশাতেই রয়েছে। কিন্তু শুধু নিজের কাজের জায়গাতেই সব কিছু বদলানোর চেষ্টা করি মাত্র।”

এই বিষয়ে অভিনেতাকে সমর্থন জানিয়েছেন একাধিক মানুষ সহ অভিনেত্রী তথা নেত্রী রূপা গাঙ্গুলি, পরিচালক রেশমি মিত্র প্রমুখ।

তবে আজকের এই আধুনিক যুগেও লিঙ্গ বৈষম্য!! এতো নারী-পুরুষে ভেদাভেদ!! তাহলে তো বলতে হয় যুগকে সবাই আধুনিক আখ্যা দিলেও মানুষের মন এখনো সেই আধুনিকতার স্বাদ পায়নি।