অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কোন কোন রোগের উপসর্গ? জেনে নিন

6
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কোন কোন রোগের উপসর্গ? জেনে নিন

খুব বেশি পরিশ্রম হলে বা তাপমাত্রা বাড়লে ঘাম হওয়া টা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। অনেক সময় ঘাম হওয়াটা কে মোটেও ভালো লক্ষণ বলে মনে করছেন না চিকিৎসাবিদরা। অনেক সময় অনেক মানুষের বসে বসেই হাত পা ঘামে তারা এই বিষয়টিকে কোন রোগের উপসর্গ বলে মনে করেন না। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক চিকিৎসা শাস্ত্রে ঘাম হওয়াকে কোন কোন রোগের উপসর্গ বলে চিহ্নিত করছেন।

১) যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের রক্তে শর্করা পরিমাণ ওঠানামা করাটা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ডায়াবেটিস মানব শরীরের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই অযথা ঘাম হলে সেই বিষয়টিকে উড়িয়ে না দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং সুগার পরীক্ষা করান।

২) হার্টের পাম্পিং এর সমস্যা হলেও এই ধরনের ঘাম হতে পারে। ঘাম হওয়া অনেক সময় হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকের মতানুযায়ী বেশি পরিমাণে ঘাম হলে আপনারা কার্ডিয়লজিস্ট সাহায্য নিন কারণ এটি হৃদরোগের একটি লক্ষণ হতে পারে।

৩) যারা মানসিক চাপে ভোগেন তাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়। মানসিক উদ্বেগ চাপজনিত হরমোনকে অনেক অংশে বাড়িয়ে দেয়। তাই কোনো ব্যক্তির যদি প্রচণ্ড মানসিক উদ্বেগের সাথে ঘাম হওয়া এবং ঘুম কম হওয়া লক্ষণটি প্রকট হয় তাহলে সেই সব মানুষ জন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

৪) মেয়েদের মেনোপজের সময় শুরু হয় সাধারণত 45 বছর থেকে। এই সময় মেয়েদের ঘাড় ও বুক ঘাম জমে । তাই আপনার যদি এই ধরনের ঘাম হয় তাহলে আপনার মেনোপজের সময়কাল শুরু হয়েছে কিনা তা জানার জন্য স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাহায্য নিন।

৫) শরীরে অনেক সময় ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়লে ঘাম হতে দেখা যায়। ঘামের সাথে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় যেমন প্রতিটি জয়েন্ট পায়ের তলা প্রভৃতি জায়গায় ব্যথা যন্ত্রণা অনুভূত হতে পারে। এই রকম সমস্যা হলে সত্বর অর্থোপেডিক ডাক্তার দেখান।