আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুদপাতে হয়ে যেতে পারে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান জলপথ সুয়েজ খালের মুখ

16
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুদপাতে হয়ে যেতে পারে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান জলপথ সুয়েজ খালের মুখ

পৃথিবী কী ক্রমাগত ধ্বংসের মুখে এগিয়ে চলেছে? একদল বৈজ্ঞানিকদের নিরলস গবেষণা থেকে তেমনই ভয়ঙ্কর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন প্রকৃতির উপর মানুষের প্রভাব বিস্তারের মানসিকতা ক্রমশ মানুষের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রাক শিল্পায়নের এই যুগ পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়িয়েছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলছে, সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে। এমন চলতে থাকলে আগামী দিনে মানব প্রজন্ম থাকবে জলের তলায়।

পৃথিবীর উপর মানুষের দৌরাত্ম্য যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে ধ্বংসের মুখে পৌঁছতে আর খুব বেশি দেরি নেই বলেই আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। অন্তত বর্তমান পরিস্থিতি যদি চলতেই থাকে তাহলে আগামী দিনে এই পৃথিবী থেকে বহু প্রজাতি অবলুপ্ত হয়ে যাবে। তবে জানেন কি যদি প্রকৃতিও ধ্বংসলীলার তাণ্ডবে মেতে ওঠে তাহলে এই পৃথিবীই সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে?

ভিসুভিয়াস এবং সান্তোরিনি, এই দুই আগ্নেয়গিরির মতো একাধিক মাঝারি মাপের আগ্নেয়গিরি রয়েছে এই পৃথিবীতে। যদি এই আগ্নেয়গিরি একসঙ্গে অগ্ন্যুদগম করতে শুরু করে, তাহলেই আর রক্ষা নেই। সারা পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ঘটে যাবে। ভয়ংকর সুনামির জন্ম দিতে পারে এই আগ্নেয়গিরি। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান জলপথ সুয়েজ খালের মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তাইওয়ানসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ, উত্তর আফ্রিকা, উত্তর-পশ্চিম আমেরিকা, ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তরের দেশগুলিও চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। এক কথায় বলতে গেলে এই আগ্নেয়গিরি সারা পৃথিবীর জন্য মারণ ফাঁদ সৃষ্টি করতে পারে।