বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে!

28
বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে!

করোনার বাড়বাড়ন্তে সমস্ত ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেই পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক, করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় কিছু লোকাল ট্রেন পুনরায় চালু করা হয়। কিন্তু বন্ধ ছিল বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার। তবে বর্তমানে সব ট্রেনের সাথে সাথে এই ট্রেনটিও চালু হয়েছে। এর নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘কোভিড স্পেশাল’ এবং নতুন নামকরণের সাথে সাথে ভাড়াও বেড়ে গিয়েছে ২০টাকা। অর্থাৎ জেনারেল কামরার ভাড়া ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়। আর রির্জাভেশনের ভাড়া ৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে করে দেওয়া হয় ১০০ টাকা।

রামপুরহাট–হাওড়া বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনটির রামপুরহাট থেকে ছাড়ার সময় ভোর ৫টা ১০ মিনিট, আর বিকেলে ট্রেনটি ৪টে ৩৫মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়ে এবং রাত ৯টা ২৫ মিনিটে রামপুরহাট পৌঁছোয়। এতদিন সব ঠিকঠাকই ছিল। যে সমস্ত মানুষ একদিনেই কলকাতা গিয়ে কাজ সেরে আবার বাড়ি ফিরতে চান তাদের জন্য খুব সুবিধাজনক এই ট্রেন জার্নি। এই ট্রেন লোকাল ট্রেনের মতো বেশিরভাগ স্টেশনে থামে। তা সত্ত্বেও স্পেশাল ট্রেনের তকমা দিয়ে এই ট্রেনের ভাড়া দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে বর্তমানে অহেতুক এই ভাড়া বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের হাল খুব খারাপ হওয়ায় যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এভাবে যাত্রীদের ওপর অন্যায়ভাবে আর্থিক বোঝা চাপানোর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

অধিকাংশ যাত্রীরাই অভিযোগ করছেন, রেলের চালাকি তারা ধরে ফেলেছে। বিশ্বভারতী ফার্স্ট প্যাসেঞ্জার লোকাল হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া এক্সপ্রেসের হারেই নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এ প্রসঙ্গে আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, ‘”নতুন বাজেটের সময় রেলের ভাড়া বাড়ে বা কমে। কিন্তু বিজেপি সরকার এরকম অন্যায়ভাবে রেলের ভাড়া যখন–তখন বাড়িয়ে মানুষের উপর আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিতে পারে না, এটা আইন বিরোধী। আমরা অবশ্যই আন্দোলনে নামব।”