সচিনের দেওয়া চাকরি ছেড়ে এখন আর্থিক অনটনে ভুগছেন বিনোদ কাম্বলি

18
সচিনের দেওয়া চাকরি ছেড়ে এখন আর্থিক অনটনে ভুগছেন বিনোদ কাম্বলি

বিনোদ কাম্বলি একসময় ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেছেন। কিংবদন্তীয় সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে তার ছেলেবেলার বন্ধুত্ব। মুম্বইয়ের শারদাশ্রম স্কুল থেকে। স্কুল ক্রিকেটে রেকর্ডও গড়েছেন সচিন-কাম্বলি জুটি। সেই জুটি পৌছেছিল ভারতীয় ক্রিকট দল পর্যন্ত। কিন্তু সেখানে সচিন ক্রিকেট ঈশ্বর হয়ে উঠলেও কাম্বলির কেরিয়র বেশি দীর্ঘায়িত হয়নি। তবে সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে বিনোদ কাম্বলির বন্ধুত্ব অটুট থেকে গিয়েছে।

বর্তমানে সেই বিনো কাম্বলিই  এখন চরম আর্থিক অনটনে ভুগছেন। কাজ বলতে হাতে কিছুই নেই। সম্পূর্ণ বেকার। সহায় সম্বল প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার হওয়ার সুবাদে মাসে ৩০ হাজার টাকা পেনশন। যাতে খুবই কষ্টা কাটছে প্রাক্তন বাঁ হাতি ভারতীয় ক্রিকেটের দৈনন্দিন জীবন। তাই বর্তমানে হন্নে হয়ে একটা চাকরি খুঁজছেন বিনোদ কাম্বলি।

তবে তা ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হলে বেশি ভালো হয় বলে জানিয়েছেন বিনোদ। ২০১৯ সালে টি-টোয়েন্টি মুম্বই লিগে কোচের ভূমিকায় ছিলেন বিনোদ কাম্বলি। সেইসময় পর্যন্ত খুব একটা সমস্যা ছিল নাষ কিন্তু করোনা অতিমারীর পর সমস্যাটা বাড়ে।

বন্ধু সচিন তেন্ডুলকর যে  তাকে খুব একটা দেখেননি তেমন নয়। একাধিকবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শেষবারও সচিনের মিডলসেক্স গ্লোবাল অ্যাকাডেমিতে মেন্টর হিসেবে কাজ দিয়েছিলেন। সচিনের অ্যাকাডেমি নবি মুম্বইয়ের নেরুলে। কাম্বলির বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।

এত দূরের অ্যাকাডেমিতে গিয়ে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল ৫০ বছরের প্রাক্তন ক্রিকেটারের। তাই সেই দায়িত্ব ছেড়ে দেন। তার পর থেকে নির্দিষ্ট কোনও আয় নেই কাম্বলির। কাম্বলি জানিয়েছেন, ভোর ৫টায় উঠে ট্যাক্সিতে ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে যেতাম। খুবই খাটনি হত। তারপর আবার সন্ধেয় বিকেসি-র মাঠে কোচিং করাতাম। কিন্তু এই বয়সে এত ধকল নিতে পারছিলাম না।