রাগের চোটে টানা ১৭ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন বিদ্যা! জানুন কারন

15
রাগের চোটে টানা ১৭ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন বিদ্যা! জানুন কারন

বলিউডের সেরা অভিনেত্রীদের তালিকায় অন্যতম হলেন বিদ্যা বালন। প্রথম সারির পরিচালক এবং প্রযোজকদের পছন্দের তালিকাতেও তিনি বিরাজমান। তবে একটা সময় কাজ পাওয়ার জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছিলো অভিনেত্রীকে। একসময় নিজের ওপর এতটাই রাগ হয়েছিল যে রাগের চোটে প্রায় ১৭ কিলোমিটার টানা হেঁটেছিলেন বিদ্যা। নিজেই এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিদ্যা জানিয়েছেন, ‘ওই পরিস্থিতিতে সব চিন্তাভাবনাই গুলিয়ে যাচ্ছিল। নিজেকে বেসামাল লাগছিল। কিছু বুঝতে পারছিলাম না কী করা উচিত। আজ হয়তো শরীর চর্চার জন্য নিয়ম করে মেপে হাঁটি, কিন্তু সেদিন আর কিছু করার উপায় ছিল না আমার কাছে। কোনো কিছু না ভেবে শুধু হাঁটছিলাম। কোথায় যাচ্ছি, কেনই বা যাচ্ছি কোনোকিছুই মাথায় ছিল না’। তাঁর দাবি, হাঁটলে নাকি রাগ অনেকখানি কমে যায়। চিন্তা ভাবনাগুলো বেশ সাফ হয়ে যায়। তাই তিনি এই কাজ করেন। হাঁটতে হাঁটতে মেরিন ড্রাইভ থেকে সোজা বান্দ্রা পৌঁছে যান অভিনেত্রী। যদিও ‘শেরনি’ জানিয়েছেন জীবনে এরকম কান্ড একবারই ঘটিয়েছেন। বিদ্যা আরও বলেন, ‘সেদিন এতটাই রাগ হয়েছিলো যে খিদে, ব্যাথা, কষ্ট, তেষ্টা সবকিছুই ভুলে গেছিলাম’।

ওই সময় বারবারই পরিচালক প্রযোজকদের কাছ থেকে একাধিকবার না শুনতে হতো তাঁকে। তবে তাতে তিনি হার মানেননি, বরং নিজেকে নতুনভাবে তৈরি করেছেন। শোনা যায় ওই সময় বিদ্যাকে কিছু প্রযোজক এবং পরিচালক তাঁর চেহারা নিয়ে এমন কিছু কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন যে, তারপর থেকে বহুদিন বিদ্যা আয়নার সামনে দাঁড়াতেন না, নিজেকে দেখতেও চাইতেন না। বিদ্যার কথায় তিনি জানতেন একদিন না একদিন সুযোগ ঠিক আসবেই। এতকিছুর পরেও তাই তিনি আশাহত হননি। অবিরাম চেষ্টা করে যাওয়া ছাড়া তখন তাঁর আর কোনো অপশন ছিল না।

এরপর ২০০৩ সালে বাংলা ছবি ‘ভালো থেকো’ দিয়ে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন বিদ্যা। ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এরপর ২০০৫ সালে ‘পরিণীতা’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় ডেবিউ করেন তিনি।