মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজত্বে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য তলানিতে এসে ঠেকেছে উত্তরপ্রদেশ

25
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজত্বে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য তলানিতে এসে ঠেকেছে উত্তরপ্রদেশ

মাত্র চার বছর আগে প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। আর এরই মাঝে তার রাজ্যে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কথা হচ্ছে যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশকে নিয়ে। এই রাজ্যে বিগত চার বছর ধরে পুলিশের দৌরাত্ম্যে দুষ্কৃতীরা হয় এনকাউন্টারে প্রাণ হারিয়েছে, নতুবা দুষ্কর্মের পথ চিরতরে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এমনই দাপটের সঙ্গে প্রশাসন চালাচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

যোগী আদিত্যনাথ যবে থেকে উত্তরপ্রদেশে শাসন ক্ষমতার আসনে বসেছেন, চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানির মতো ঘটনা তবে থেকেই কমতে শুরু করেছে। আজ যোগীর রাজ্যে শান্তির বাস। অশান্তি এবং দুষ্কৃতীদের জায়গা নেই সেখানে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, বিগত চার বছরে যোগীরাজ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার এনকাউনটার হয়েছে। পুলিশের ভয়ে রীতিমতো কাঁপছে সেই রাজ্যের দুষ্কৃতিরা।

২০১৭ সালে যখন থেকে বিজেপি উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় আসে তখন থেকে আজ পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৭২টি এনকাউন্টারে ৩ হাজার ৩০২ জন অপরাধীকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। নিহত হয়েছে প্রায় ১৪৬ জন। বাকি অপরাধীদের পায়ে গুলি করা হয়েছে। প্রশাসন যদি ওই দুষ্কৃতী দমন অভিযানকে বিশেষ কোনো নাম দেয়নি। তবে উত্তরপ্রদেশের কিছু কিছু পুলিশকর্মী এই অভিযানকে ‘অপারেশন ল্যাংড়া’ বলে থাকেন।

যদিও এই অভিযানে আজ পর্যন্ত কেউ ল্যাংড়া হননি বলেই জানা গিয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, এই এনকাউন্টারে অন্ততপক্ষে ১৩ জন পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে আর ১ হাজার ১৫৭ জন আহত হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশ একসময় অপরাধের স্বর্গরাজ্য বলে পরিচিত ছিল। তবে যোগীর প্রশাসন সেই রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। দুষ্কৃতীদের রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ।