দেওচা পাচামী কয়লা খনি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি

13
দেওচা পাচামী কয়লা খনি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি

রাজ্যে এখন একের পর এক তান্ডব হয়েই চলেছে, গত বছর থেকেই যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে দেখা যাবে দেওচা পাচামী কয়লা খনি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সাধারণ মানুষাএর ক্ষোভ, তাঁদের জমি বাড়ি সব কিছুই সরকারের অধীনে চলে যাবে, সেটা তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। তাই তাঁদের আন্দোলন, রাতারাতি বদল হয়ে যেতে পারে আসানসোল রাণিগঞ্জের মতো শীল্প তালুকে। যেটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না।

মানুষের বাসস্থান, জমি , সমস্ত কিছুই যদি সরকারের কাছে চলে যায় তাহলে দেখা যাচ্ছে সামাজিক ও ভৌগোলিক পরিবেশের দারুণ ভাবে বদল ঘটবে। তবে সরকারের তরফ থেকে পুনর্বাসন প্যাকেজের ঘোষণা করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাতেও ক্ষোভ কম হচ্ছে না বাসিন্দাদের। তারা যেন লাগাতার আন্দোলন করেই চলেছে। আদিবাসীরা একের পর এক আন্দোলন, যার রেশ কিন্তু একটুও কমে নি, বরং বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই দেওচা পাচামি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সর্বত্র। এবার এই কয়লা খনির জমি নেওয়া নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে সময় চাইল রাজ্য। ইতিমধ্যেই অনেকটাই চাপ বেড়েছে সরকারের ওপরে।

রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে অনেক আগের থেকেই যে জমি অধিগ্রহণ আইনের শর্ত না মেনেই সমস্ত কাজ করা হয়েছে। এমনকি এই প্রকল্পের জন্য পরিবেশের কোনো ছাড়পত্র যে নেওয়া উচিৎ সেটাও নেওয়া হয় নি। এক কথায় বলা যেতে পারে একেবারে নিয়মের বাইরে গিয়েই এই সমস্ত কাজ করেছে রাজ্য। তাই জোড়দার চাপানোতর উঠেছে রাজ্য জুড়ে। এবার সমস্ত কিছুর ঊর্ধে জমি অধিগ্রহণ, সংক্রান্ত বিষয় ও রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের অধিগ্রহণ কে ঘিরে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৮ জুলাই এই মামলার শুনানির ধার্য করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের তরফত হেকেই এই শুনানি হওয়ার কথা। ৩০১০ টি পরিবার সেই দেওচা পাচামি কোল ব্লক এলেকায় বসবাস করে। যার আয়তন ১২ হাজার বর্গ কিমি।।