বিগত ৪০ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা, গত কুড়ি দিনে তিনবার শান্তি চুক্তি লঙ্ঘিত হয়েছে সীমান্তে

10
বিগত ৪০ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা, গত কুড়ি দিনে তিনবার শান্তি চুক্তি লঙ্ঘিত হয়েছে সীমান্তে

লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত। সীমান্তে সেনার সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে চীন। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যতই বৈঠকের মাধ্যমে সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হোক না কেন, সীমান্ত থেকে সরতে নারাজ চীন। সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে ভারতও। ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে সীমান্তে আরও মজবুত সেনা ঘাঁটি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, গত কুড়ি দিনে তিনবার শান্তি চুক্তি লঙ্ঘিত হয়েছে সীমান্তে। কুড়ি দিনের মধ্যে তিনবার উভয় রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। বিগত ৪০ বছরের ইতিহাসে যা নজিরবিহীন ঘটনা। সীমান্ত উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে বৈ কমছে না। তাই শীতকালটাও লাদাখেই কাটানোর পরিকল্পনা করছেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। সেই জন্য এখন থেকেই শীতবস্ত্র খাদ্য সামগ্রী এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে।

ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনুক হেলিকপ্টারে করে খাদ্য সামগ্রী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছাতে শুরু করে দিয়েছেন সীমান্তে। এসবের পাশাপাশি এবার লাদাখে পৌঁছচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তিশালী বোফোর্স কামান। শক্তিশালী এই কামানটি অতীতেও কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করেছে। ১৯৯৯ সালের যুদ্ধের পর সেই কামান এবার লাদাখে পৌঁছচ্ছে চীনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করতে।

বর্তমানে, ভারতীয় সেনার ওয়ার্কশপে ইঞ্জিনিয়াররা বোফর্স কামানের সার্ভিসিংয়ের কাজ করছেন। ফায়ারিং পিন থেকে শুরু করে ইঞ্জিন, বোফর্স কামানের প্রত্যেকটি অংশের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করে তার কার্যক্ষমতা দেখে লাদাখ সীমান্তের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফরোয়ার্ড লোকেশনে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।