ছবি বয়কটের ডাক নিয়ে মুখ খুললেন অপরাজিত জীতু কামাল এবং শ্রীলেখা মিএ

12
ছবি বয়কটের ডাক নিয়ে মুখ খুললেন অপরাজিত জীতু কামাল এবং শ্রীলেখা মিএ

একটা সময় এমন ছিল যেখানে হলে কোন সিনেমার নতুন আসছে শুনেই দর্শকের ভীড় উপচে পড়তো, কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন সিনেমা হলগুলোতে সেইরকম উপচে পড়া ভিড় আর দেখা যায় না, কারণ বলিউডের একাধিক তারকারা এখন দর্শকদের রোষের মুখে। দর্শকরা এখন বলিউডের একাধিক অভিনেতাকে বয়কটের ডাক দিয়েছেন যার ফলে বিভিন্ন অভিনেতাদের ছবিগুলি সিনেমা হলের রিলিজ হলেও দর্শকেরা সেই হলের দিকে ঘুরেও তাকাচ্ছেন না। এতদিন পর্যন্ত দর্শকদের রোষের মুখে ছিল বলিউড কিন্তু সম্প্রতি টলিউডের দেখা গেল সেই ছায়া।

বলিউডের পরে এবার টলিউডে দেখা যাচ্ছে বয়কটের ডাক। “লক্ষী ছেলে” ছবিটিকে উদ্দেশ্য করে বার বয়কটের ডাক দিয়েছে নেটিজেনরা। তবে এই ঘটনা প্রথম নয়, টলিপাড়ায় এর আগেও ধর্মযুদ্ধ নামের ছবিটি নিয়েও টলি পাড়ায় যথেষ্ট শোরগোল দেখা গিয়েছিল, তবে এইবারের বয়কটের ডাক দেওয়াতে বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে গিয়েছেন শিল্পীরাও। “লক্ষী ছেলে” ছবিটিকে বয়কটের ডাক নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ খুলেছেন অপরাজিত জীতু কামাল এবং শ্রীলেখা মিএ।

বিশেষ করে ছবিটি তৈরি হয়েছে সমাজকে কুসংস্কার মুক্ত করার জন্য । এই ছবিটিতে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া আমির, শিবনাথ এবং গায়ত্রী যারা ডাক্তারি বিভাগের শিক্ষার্থী। এই সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে আটকে গিয়ে থাকলো পরবর্তীকালে সেটি ছাড়পত্র পায়।

অভিনেতা জিতু জানিয়েছেন,” লক্ষী ছেলে ছবিটি কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে যেখানে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন, তাদের সিদ্ধান্ত অমান্য করার সাহস কারো নেই”।

এই বিষয়ে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র বলেন, “সবাই হলো হুজুগে। একজন বলে তো বাদবাকিরা তার কথাতেই নাচতে থাকে। একজন শিল্পী নিজের ছবি তৈরি করেছেন এবং সেটা দেখেই বিচার করা উচিত যে সেটি ধর্মনিরপেক্ষ নাকি ধর্মনিরপেক্ষ নয়।”

এর আগে “ধর্মযুদ্ধ” ছবিটির বিরুদ্ধে ও বয়কট ডাকা হয়েছিল যার ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন টলিউডের পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেছিলেন, “দর্শকেরা ছবি দেখেন না তার আগেই বয়কটের ডাক দেন কিন্তু এটা একদমই ঠিক নয়। এই কাজগুলো যারা করেন তারা ইচ্ছে করেই করেন”।