আম্ফানের তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী “যশ” আছড়ে পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গে, পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের

28
আম্ফানের তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী

তাওকাতের পরে এবার এক নতুন ঝড়ের মুখোমুখি। সম্প্রতি আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় তাওকাতে গুজরাট এবং মুম্বাই উপকূলে বিধ্বংসী তাণ্ডব চালিয়েছে। এবার বঙ্গোপসাগরের বুকে সৃষ্টি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় “যশ”। এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে স্বভাবতই বেশ আতঙ্কিত পশ্চিমবঙ্গ। কারণ শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গতবছরের আম্ফানের তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী “যশ”।

স্বভাবতই নতুন এই ঘূর্ণিঝড়টিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গবাসীর আতঙ্ক বাড়ছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেবে। বুধবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে তা আছড়ে পড়তে পারে বাংলা-ওড়িশা উপকূলে। তবে স্বস্তি একটাই, আবহাওয়া দপ্তর এর তরফ থেকে নিম্নচাপের ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হওয়ার নিশ্চিত কোনো সম্ভাবনার কথা জানানো হয়নি এখনো।

আগামী ২২ মে শনিবার বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। আন্দামানের কাছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে রবিবার এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। এই নিম্নচাপটি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে। বাংলার দিঘা-শঙ্করপুর উপকূল থেকে ওড়িশার বালাসোর উপকূলের মাঝে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় “যশ”।

ঘূর্ণিঝড় ঠিক কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করতে চলেছে তা আগামী রবিবার জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে। রবিবার নিম্নচাপের অবস্থান দেখে ঘূর্ণি ঝড়ের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারবেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।