প্লাসটিকের খাঁড়া দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা! দেশের মাটির নোয়া’কে নিয়ে ট্রোল নেট পাড়ায়

27
প্লাসটিকের খাঁড়া দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা! দেশের মাটির নোয়া'কে নিয়ে ট্রোল নেট পাড়ায়

এখন টিভি অন করলেই বিভিন্ন চ্যানেল এর ধারাবাহিক গুলোতে দেখা যায় একের পর এক হাস্যকর ঘটনা। যেমন- কৃষ্ণকলিতে বাথরুম স্ক্রাবার ব্যবহার করে ডাক্তার বাঁচাল প্রাণ। কাঁচি দিয়ে জবা কাটল টাইম বোমার তার। কানে শুনতে না পেয়েও তিতলি বিমানচালকের আসনে বসে পড়ল দূর্ঘটনাগ্রস্ত এক উড়োজাহাজকে বাঁচাতে। গত কয়েক মাসেই বিভিন্ন ধারাবাহিকের গল্পের গরু গাছে উঠে পড়েছে। টিআরপিকে উর্ধ্বমুখী করার জন্য ধারাবাহিক গুলোর বর্তমান অবস্থা “এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায় দেখ”। চ্যানেলে চ্যানেলে রীতিমতো জোরদার লড়াই।

ধারাবাহিকের গল্প হুটহাট বদলে যাচ্ছে। দর্শকরা আজগুবি এসব ঘটনা দেখতে দেখতে দর্শকরাও হয়ে উঠছে ক্লান্ত। কিন্তু এই সোশ্যাল মিডিয়ার দাপটে, চুপচাপ কি এসব সহ্য করা যায়? একেবারেই নয়, তাই তো যখনই ধারাবাহিকে আজগুবি গল্প দেখেছে দর্শক, তত বারই ধারাবাহিক নিয়ে খিল্লিতে মেতেছে। আর এবার এই তালিকায় ঢুকে পড়ল জনপ্রিয় ধারাবাহিক দেশের মাটি! প্লাসটিকের খাঁড়া হাতে নিয়ে ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্র নোয়ার খুন করার প্রচেষ্টা দেখে অট্টহাসি সোশ্যাল মিডিয়ায়।

দেশের মাটি ধারাবাহিকে অভিনেত্রী শ্রুতি দাস।
তা ঠিক কী ঘটল?

মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে কিয়ান। তার এই অবস্থার জন্য দায়ী গল্পের ভিলেন শিবু। এই শিবুকে শাস্তি দিতেই হবে। প্রতিশোধে অন্ধ হয়ে নোয়া হাতে তুলে নিল খাঁড়া! রাগে লাল হয়ে উঠল চোখ। শিবুকে শাস্তি দিতেই হবে। এখান থেকেই শুরু গন্ডগোল। নোয়া ওরফে অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের হাতে প্লাসটিকের খাঁড়া। একটু হাওয়া দিলেই নড়ে উঠছে তা! ব্যস, এরকম এক হাইভোল্টেজ ড্রামায় যদি খাঁড়া নড়ে ওঠে, তা কি আর নেটিজেনদের চোখ এড়িয়ে যায়! একেবারেই নয়। তাই তো ধারাবাহিকের এই এপিসোড শেষ হতেই হইচই পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। নোয়া আর তার হাতের খাঁড়া নিয়ে শুরু হয় ট্রোল। নেটিজেনরা বলছেন, প্লাসটিকের খাঁড়া দিয়ে যে খুন করা যায়, তা তো বাবার জন্মে দেখিনি!

এর আগে বহুবার দেশের মাটি ধারাবাহিক নিয়ে ট্রোল হয়েছে। এমনকী, অভিনেত্রী শ্রুতি দাস বারবার বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, কিছুদিন আগেই দেশের মাটিতে রাজা ও মাম্পির ফুলশয্যার দৃশ্যেকে কুরুচিকর বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই পড়ে যায়।