কমিশনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় উল্লাস তৃণমূল সদস্যদের

15
কমিশনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় উল্লাস তৃণমূল সদস্যদের

ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হাহাকার এবং করোনার এতটাই বাড়বাড়ন্ত যে বারবার নির্বাচনের জনসভাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করেছে সকলে। যে ভাবে দিনের পর দিন জনসভা চালিয়ে গেছে প্রত্যেকটি দল, তার ফলেই এই ভাবে এতগুলো মানুষ একসাথে করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে বলেই মনে করেছেন সকলে।

তাই নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, আজ অর্থাত ২ রা মে এর পর কোনরকম জয় মিছিল করা যাবে না। কোনভাবেই কোথাও একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত করা যাবে না। তবে কার্যত এই নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজ তৃণমূলের সমস্ত সদস্য বেরিয়ে পড়েছেন রাস্তায়। তারা তাদের জয়ের উল্লাসে মেতেচেন। সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে তাদের বিজয় মিছিল।

সেই মিছিলে করোনাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে দেখা গেল তৃণমূলের সমস্ত সদস্যকে। সামাজিক দূরত্ব তো দূরে থাক কারণ মুখে মাস্ক চোখে পরছে না। তাই কার্যত এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এইরকম ভাবে জামায়াত করাটা যে ভীষণভাবে অনুচিত তা আরো একবার মনে করিয়ে দেবার জন্য কমিশন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।

ইতিমধ্যেই কমিশন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায় কে নির্দেশ দিয়েছেন যে, কেন কমিশনের নির্দেশ মানা হচ্ছে না তা যেন তদন্ত করে দেখা হয়। এছাড়াও সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। তাদের কথা অগ্রাহ্য করে এইভাবে রাস্তায় জমায়েত করার কোন মানে হয় না বলেই জানিয়েছেন কমিশন। যে সমস্ত অফিসারদের মানুষের জমায়েতে করছে কিনা দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাদের সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই তৃনমূল শিবির অনেকটাই এগিয়ে ছিল তা বুঝতে পারা গেছে। আজ ফলাফলের দিন প্রথম থেকেই বোঝা গেছে তৃণমূল শিবির বিজেপিকে হারিয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই ২০০ টি আসনে এগিয়ে গেছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গ আরো একবার তার নিজের ঘরের মেয়েকে নির্বাচনে জয়ী দেখতে চেয়েছিল, সেটা আরো একবার স্পষ্ট হয়ে যায় এই সিদ্ধান্ত থেকে।