আজ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে সারা বিশ্ব

14
আজ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে সারা বিশ্ব

চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারার গতিবিধির উপর জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সম্পূর্ণ নজর থাকে। প্রাকৃতিক বিষয় গুলির উপর সাধারণ মানুষের আগ্রহও কিন্তু কিছু কম নয়। সাধারণ মানুষের কৌতূহল নিবৃত্তি করার উদ্দেশ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিলেন চাঁদের গতিবিধি। তারা জানাচ্ছেন চলতি বছরে দুইটি চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকবে সারা বিশ্ব। ২৬শে মে, বুধবার, অর্থাৎ আজ বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকবে সারা বিশ্ব।

বছরে এইবার প্রথম সম্পূর্ন চন্দ্রগ্রহণ হতে চলেছে। দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর এবং অ্যান্টার্কটিকা থেকে দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। ভারতীয় সময় দুপুর ২:১৭ মিনিট থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭: ১৯ পর্যন্ত স্থায়ী হবে এই চন্দ্রগ্রহণ। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি থেকে, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা এবং আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ।

বিকেল ৩.১৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬.২২ মিনিট নাগাদ আংশিক চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিকিম বাদে), পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার কিছু অংশ। তবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কতটা চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। প্রসঙ্গত পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণকে আবার “ব্লাড মুন একলিপ্স”ও বলা হয়ে থাকে।

এর প্রধান কারণ এই সময়ে চাঁদ লালচে কমলা বর্ণ ধারণ করে। ২১শে জানুয়ারী ২০১৯-র পরে এই প্রথমবারের মতো পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে সারা বিশ্ব। এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ কার্যত পূর্ণিমার রাতেই ঘটে থাকে। পশ্চিমবঙ্গ, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম,নাগাল্যান্ড, পূর্ব ওডিশা, মণিপুর, ত্রিপুরা, অসম এবং মেঘালয় থেকে দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ।