আলুর দাম নিয়ন্ত্রনে এবার ৩০শে নভেম্বরের মধ্যেই হিমঘর খালি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার

16
আলুর দাম নিয়ন্ত্রনে এবার ৩০শে নভেম্বরের মধ্যেই হিমঘর খালি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার

কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের ফলাফল এবার হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় আলু-পেঁয়াজের মতো সবজির দাম শুনেই কালঘাম ছুটছে ক্রেতাদের। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ক্রমশই সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যতই উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক না কেন, আলুর দাম ৪০ টাকা প্রতি কেজি থেকে বাড়তে বাড়তে এখন প্রায় ৫০ টাকা ছুঁই ছুঁই!

বাজারের এই পরিস্থিতি দেখে এবার হিমঘর খালি করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন, হিমঘরে আলু মজুত করে রেখে সাধারণ খুচরো বাজারে আলুর দাম বৃদ্ধি করা যাবে না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ শুনতে নারাজ আলু ব্যবসায়ীরা। নবান্নের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের হিমঘরে এখনো সাত লক্ষ টন আলু রাখা হয়েছে। এদিকে বাজারে ছদ্ম দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে!

এমতাবস্থায় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এবার এক নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানানো হলো, চলতি নভেম্বর মাসের মধ্যেই হিমঘরের সমস্ত আলু বের করে বাজারে ছাড়তে হবে। এ বিষয়ে আলু ব্যবসায়ী অথবা হিমঘরের মালিকদের কোনো অভাব-অভিযোগ শুনবে না রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, আলু ব্যবসায়ীরা সাধারণ ক্রেতাদের কথা ভাবছেন না। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বাজারে নিত্যদিন আলুর দাম উপরের দিকে চড়ছে।

তাই এবার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আগামী ৩০শে নভেম্বরের মধ্যেই হিমঘর খালি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিনে আলুর দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসনের তরফ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করে কলকাতার বাজারগুলি পরিদর্শন করা হয়। সে সময় বাজার ঘুরে প্রতি কেজি আলুর দাম ৪০ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই আলুর দামের এহেন বৃদ্ধিতে স্বভাবতই বিপাকে পড়েছেন রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশে এখন আদেও কোনো সুরাহা হয় কিনা, তা সময় বলবে।