টিকিট পাওয়ার আশায় দলে যোগদান কারীদের শর্ত পূরণ করা হবে না, স্পষ্ট বার্তা দিলীপ ঘোষের

15
টিকিট পাওয়ার আশায় দলে যোগদান কারীদের শর্ত পূরণ করা হবে না, স্পষ্ট বার্তা দিলীপ ঘোষের

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজ্যে রীতিমতো দলবদলের রাজনীতি শুরু হয়েছে। বিশেষত তৃণমূল দল থেকে একাধিক নেতাকর্মী, বিধায়ক, সাংসদ একের পর এক বিজেপি দলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। এদের প্রত্যেকেরই রাজ্য শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বেশির ভাগেরই অভিযোগ, তৃণমূল দলে তারা অবহেলিত হচ্ছেন। দলীয় কর্মীদের কারণেই দলে থেকে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এই একই যুক্তি দেখিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা নেতৃত্বরা ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলের অধীনে আশ্রয় নিচ্ছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, দলবদলকারীদের প্রধান লক্ষ্য রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের দলত্যাগ প্রসঙ্গে এমনটাই দাবি তৃণমূল শিবিরের। তৃণমূলীয় সমালোচকরা দাবি করছেন, দলে থেকে যাদের কার্যসিদ্ধি হচ্ছিল না, তারাই নিজেদের আশা পূরনের উদ্দেশ্যে বিরোধী শিবিরের দিকে পা বাড়াচ্ছেন।

রাজনৈতিক সমালোচকরা দাবি করছিলেন, তৃণমূলে থেকে বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট যারা পাচ্ছিলেন না, তারাই ভোটে দাঁড়ানোর টিকিট পাওয়ার লোভে বিরোধী বিজেপি শিবিরের দিকে পা বাড়িয়েছেন। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কড়া জবাব দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, তিনি স্পষ্টত জানিয়ে দিলেন বিধানসভা আসনের টিকিট পাওয়ার লোভে যারা শর্তসাপেক্ষে দলে যোগদান করছেন, তাদের সেই শর্ত পূরণ করা হবে না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। বৈঠক শেষে বাংলায় ফিরে তিনি কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন, জয়ের সম্ভাবনা ভিত্তিতেই দলীয় কর্মীরা ভোটে লড়ার টিকিট পাবেন। দলে আসছেন মানেই যে বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট ধরিয়ে দেওয়া হবে, এমনটা নয়। তিনি আরও বলেছেন, নবাগতদের বিজেপির তরফ থেকে শুধু দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে। ভোটের টিকিট নয়!