এবার চীনের কাছে সরাসরি করোনা ভাইরাসের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইল মার্কিন প্রশাসন

19
এবার চীনের কাছে সরাসরি করোনা ভাইরাসের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইল মার্কিন প্রশাসন

করোনার উৎস কি? বিগত প্রায় দেড় বছর ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন সারাবিশ্বের বিশেষজ্ঞরা। করোনার উৎস স্থল চীনের উহান প্রদেশ। এই তথ্য আজ আর কারোর অজানা নেই। তবে ভাইরাসের উৎপত্তি কিভাবে হল তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন গবেষকেরা। একদল বিশেষজ্ঞের দাবি, চীনের উহান প্রদেশের ল্যাবরেটরীতে বানানো হয়েছে ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী ভাইরাসটিকে। এমন দাবি তুলেছে আমেরিকা, নরোওয়ে এবং ব্রিটেন।

তবে চিন কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ। তাদের দাবি ল্যাবরেটরি থেকে নয়, ভাইরাস ছড়িয়েছে চীনের মাংসের বাজার থেকে। চীন যাই সাফাই দিক না কেন, মার্কিন প্রদেশ কিন্তু চীনের কথায় ভুলছে না। মার্কিন প্রশাসন এবার সরাসরি চীনের কাছে করোনাভাইরাসের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইল। মার্কিন মুলুকের অধিকর্তাদের দাবি, করোনার প্রকৃত উৎস সম্পর্কে না জানালে ভবিষ্যতে কোভিড-২৬ ও কোভিড-৩২ এর কবলেও পড়তে হবে বিশ্বকে।

মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (এফডিএ)-এর প্রাক্তন কমিশনার স্কট গটলিয়েবের দাবি, উহানের বায়োসেফটি ল্যাবরেটরি থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। তবে চীন আসল সত্যিটা স্বীকার করতে চাইছে না। মার্কিন মুলুকের শীর্ষকর্তাদের দাবি, করোনাভাইরাসের প্রকৃত উৎস সন্ধানে চীন কোনো সহায়তা করছে না।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই দাবি উঠেছে যে, করোনাভাইরাসকে জৈব রাসায়নিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যেই কার্যত গোপনে গবেষণা চালাচ্ছিল চীন। এই সম্পর্কিত বহু তথ্য প্রমাণ রয়েছে নরওয়ে এবং সুইডেনের গবেষকদের হাতে। তাদের দাবি, উহানের যে ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত গবেষণা চালানো হচ্ছিল সেই গবেষণা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রমাণ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এভাবেই কার্যত বিশ্বকে এখনো বোকা বানানোর চেষ্টা করছে চীন।