সমুদ্রসৈকত সহ এবার ধর্মীয়, ঐতিহাসিক স্থান গুলিও দেখার সুযোগ পাবে দিঘার পর্যটকরা

13
সমুদ্রসৈকত সহ এবার ধর্মীয়, ঐতিহাসিক স্থান গুলিও দেখার সুযোগ পাবে দিঘার পর্যটকরা

পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের কাছে দুদিনের জন্য একটু কোথাও ঘোরার ব্যাপার থাকলেই প্রথমেই নাম আসে মন্দারমনি, তাজপুর দীঘার মত জায়গা গুলির, যে জায়গা গুলোতে মানুষজন সমুদ্রসৈকতে একান্তে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। এতদিন পর্যন্ত সমুদ্রসৈকত ছিল একমাত্র পর্যটকদের কাছে বিশেষ জায়গা তবে এবার দীঘা আসতে চলেছে নতুন সাজে পর্যটকদের জন্য।

দীঘার আশেপাশে অনেক রাজবাড়ী ধর্মীয় স্থান ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে যেগুলো এবার দেখার জন্য সুযোগ পেতে চলেছেন পর্যটকেরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন এবার দীঘার পর্যটন ব্যবস্থাকে আরো বেশি উন্নত করতে চলেছে। সার্কিট ট্যুরিজম পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যটকরা দীঘা সমুদ্র সৈকতের সাথে আরো অন্যান্য জায়গা গুলো দেখতে পারবেন তমলুকের প্রাচীন রাজবাড়ী, পটাশপুর রাজবাড়ী, ময়না রাজবাড়ী, খেজুরের প্রাচীন দ্য টেলিগ্রাফ অফিস, কবরখানা কপালকুণ্ডলা মন্দিরের মত আরো অনেকেই ঐতিহাসিক স্থান গুলিকে।

এবার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে জেলা প্রশাসন। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সার্কের ট্যুরিজম চালু করার ব্যবস্থা করা হয়েছে মহিষাদল পটাশপুর এবং তমলুকের মত বিশিষ্ট জায়গাগুলিকে। পর্যটকদের কাছে এবং নতুনভাবে আসতে চলেছে মহিষাদল রাজবাড়ি যেটা সংস্করণের কাজ ইতিমধ্যেই চালু করে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকরা যদি চান যে এরকম একটি ঐতিহাসিক বাড়িতে রাত কাটাতে তবে সেটারও সুযোগ দেওয়া হবে পর্যটকদের।

বিভিন্ন পর্যটকদের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখানোর জন্য গাইড থাকবে যারা তাদের ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। দিঘাকে আরো নতুন রূপে সাজাতে এবার অগ্রসর হয়েছে রাজ্য সরকার। জানা গেছে দিঘাতে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ মন্দির।

পুরীর মন্দিরের আদলে তৈরি হবে এই মন্দির, এমনকি এই পর্যটকদের কাছে দীঘাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে তৈরি করা হচ্ছে চিড়িয়াখানার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। ১২ একর জমিতে এই চিড়িয়াখানা তৈরি করা হবে বলেই পরিকল্পনা করেছে বনদপ্তর।