ভোজ্যতেলের দাম কমাতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিলো কেন্দ্রীয় সরকার

27
ভোজ্যতেলের দাম কমাতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিলো কেন্দ্রীয় সরকার

করোনা পরবর্তী সময় থেকেই নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে জ্বালানি তেল হোক কিংবা ভোজ্যতেল, রেকর্ড হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরষের তেল থেকে শুরু করে পাম তেল বাদাম তেল, সয়াবিন তেলের দাম রেকর্ড হারে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ বাঙালি হেঁসেল সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকের দুর্দশার কথা চিন্তা করে তেলের দাম কমানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভোজ্যতেলের দাম কমানোর জন্য বিশেষ নীতি গ্রহণ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। যার ফলে আগামী দিনে ভোজ্যতেলের দাম অনেকখানি কমতে পারে বলে আশা করছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে প্রদত্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গত এক বছরে ভোজ্যতেলের দাম ৫৫.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে সারাদেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকার তেল বাইরে থেকে আমদানি করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুসারে বনস্পতি তেলের দাম বিগত এক বছরে ৫৫.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এক কেজি বনস্পতি তেলের দাম যেখানে আগে ৯০ টাকা ছিল তা এখন বৃদ্ধি পেয়ে ১৪০ টাকায় পৌঁছেছে।

সরষের তেলের দাম লিটার প্রতি ১১০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৩.৫০ টাকা হয়েছে। দাম বেড়েছে প্রায় ৪৯ শতাংশ। সয়াবিন তেলের দাম একইভাবে ১০৫ টাকা থেকে প্রায় বৃদ্ধি পেয়ে ১৫৮ টাকা প্রতি লিটার হয়েছে। বাদামের দাম আগে ছিল ৮৭.৫ টাকা প্রতি কেজি। বর্তমানে তা বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে। পাম তেলের খুচরো দাম আগে ছিল ৮৭.৫ টাকা প্রতি কেজি। বর্তমানে সেই দাম ৫১.৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩২.৫ টাকায় পৌঁছেছে।