বাবুল প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ

26
বাবুল প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শনিবার আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমে দলত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে দীর্ঘ বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। দলের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে তার মতবিরোধ চলে আসছিল প্রকাশ্যে। এবার কার্যত দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে তিনি সেই গুঞ্জনেই সীলমোহর দিলেন। সামাজিক মাধ্যম মারফত তিনি তার পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন।

বাবুল সুপ্রিয়র এমন পোস্টের পর থেকেই কার্যত রাজনৈতিক মহলে আবারো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। স্বভাবতই বাবুলের এই পদক্ষেপ বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়েছে। তবে বিজেপি শিবির অবশ্য এখনই এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ। বাবুলের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় চলছে। অথচ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ। তার দাবি তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দিলীপের পাল্টা প্রশ্ন, বাবুল কি এখনো ইস্তফা দিয়েছেন? তিনি যতদিন না ইস্তফা দিচ্ছেন ততদিন তিনি বিজেপির সহকর্মী হয়েই থাকবেন। প্রসঙ্গত বাবুল সুপ্রিয় তার পোস্টে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অমিত শাহের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। আবার ঐ একই প্রশ্নে তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মতানৈক্যের কথাও তুলে ধরেছেন। রাজ্য নেতৃত্তের সঙ্গে মতানৈক্য প্রসঙ্গে তিনি আদতে দিলীপ ঘোষের প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন! এমনটাই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

বাবুল এদিন তার পোস্টটিতে লিখেছেন, ইদানিং রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে তার মত বিরোধ প্রকাশ্যে আসছিল। যা কার্যত দলের মনোবল ভেঙে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। এর পেছনে যেমন তার দায়ভার রয়েছে, তেমন গেরুয়া শিবিরের অন্যান্য নেতারাও এর জন্য দায়ী বলে উল্লেখ করেছেন বাবুল। দলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কোন্দল কার্যত গ্রাউন্ড স্তরের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট বলেই মনে করেন বাবুল সুপ্রিয়। তারফিনের আসানসোলের প্রতিটি মানুষের প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা জানিয়ে পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।