এবার রীতিমতো লাইনে দাঁড়িয়ে “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড করালেন দিলীপ ঘোষের পরিবার

6
এবার রীতিমতো লাইনে দাঁড়িয়ে

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রাজ্যের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রত্যেক পরিবারকে “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। এই পরিষেবার আওতায় বছরে প্রত্যেক পরিবার রাজ্যের তরফ থেকে অন্তত পাঁচ লক্ষ টাকা চিকিৎসা খরচ পাবেন। নির্বাচনের পূর্বে তৃণমূল সরকারের এহেন অবস্থানের জোর সমালোচনা করেছিল বিরোধী বিজেপি শিবির।

তবে বিরোধীদের প্রবল সমালোচনা সত্ত্বেও “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্পকে ঘিরে রাজ্যবাসীর উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের প্রতিটি মানুষ এই পরিষেবা নিয়েছেন। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও স্বয়ং লাইনে দাঁড়িয়ে কার্ড করাতে দেখা গিয়েছে। যদিও বিজেপি শিবির এটিকে মুখ্যমন্ত্রীর “নাটক” বলেই মন্তব্য করেছিল। বিজেপি শিবিরের রাজ্য সভাপতি স্বয়ং দিলীপ ঘোষের পরিবারই এবার রীতিমতো লাইনে দাঁড়িয়ে মমতা সরকারের “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড করালেন!

যখন বিজেপি শিবির “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্পের জোর সমালোচনা করতে পিছুপা হচ্ছে না, এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, লাভ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলছে, ঠিক সেই পরিস্থিতিতে বিজেপিরই রাজ্য সভাপতির পরিবার “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড করাচ্ছেন! ঘটনা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, সুযোগ পেলে তিনিও অবশ্যই “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড করাবেন।

তবে দিলীপ ঘোষের পরিবারকে কিন্তু সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়েছে তৃণমূল। কারণ “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প রাজনীতির ঊর্ধ্বে! দিলীপ ঘোষ অবশ্য এখনও দাবি করছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প দিয়ে রাজ্যের মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে।” রাজ্যবাসীর প্রতি তার বার্তা,”আপনারা কেউ যেন বোকা হবেন না!” তাহলে তার পরিবার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করলেন কেন? পরিবারের তরফ থেকে অবশ্য জানানো হচ্ছে, নিতান্ত বাধ্য হয়েই এই পরিষেবা নিয়েছেন তারা।