এবার ভারতের গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপর নজরদারির চালানোর অভিযোগ উঠল চীনের বিরুদ্ধে

6
এবার ভারতের গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপর নজরদারির চালানোর অভিযোগ উঠল চীনের বিরুদ্ধে

লাদাখে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষের মাঝেই ভারতের প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি গন্যমান্য ব্যাক্তির উপর নজরদারির চালানোর অভিযোগ উঠল চীনের বিরুদ্ধে। চীনের এই নজরদারির লিস্টে যেমন রাষ্ট্রপতি সহ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ক্যাবিনেট সদস্য, বিরোধী দলনেতা, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ঠিক তেমনই ভারতের বেশ কিছু দাগি ক্রিমিনালের উপরেও চীন নজর রাখছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও চীনের দৃষ্টি রয়েছে ভারতের বিচার বিভাগীয় প্রধান এবং বিজ্ঞান জগতের প্রতিভাবান ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরেও। চীনের শেনঝেনে অবস্থিত ঝেনহুয়া নামক এক সংস্থা এই নজরদারির কাজ চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। এই কোম্পানির মূল উদ্দেশ্য হলো, বিদেশের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপর নজরদারি চালানো। এই নজরদারি আসলে “হাইব্রিড যুদ্ধ” এর প্রস্তুতি, যার জন্য “বিগ ডেটা” ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঝেনহুয়ার এই নজরদারির তালিকায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অশোক গেহলট, অমরিন্দর সিং, ক্যাবিনেট মন্ত্রী রাজনাথ সিং, পীযূষ গোয়েল সহ আরো অনেকে। এমনকি ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপরেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত এবং আরো ১৫ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে ঝেনহুয়া।

ঝেনহুয়ার কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, চীনা সেনা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সাথে মিলিত ভাবে ভারতের উপর নজরদারি চালাচ্ছে তারা। ভারত ছাড়াও তাদের তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানি, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব। তাদের নজরদারির অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ব্যক্তির কর্মজীবন, ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ইত্যাদির ওপর সর্বদা দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। চীনের এই কার্যকলাপ, পরবর্তী ক্ষেত্রে ভারতের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন কূটনীতিকরা।