প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় এবার নিযুক্ত হতে চলেছে উন্নত প্রযুক্তির ঘাতক ড্রোন

10
প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় এবার নিযুক্ত হতে চলেছে উন্নত প্রযুক্তির ঘাতক ড্রোন

ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তর ক্রমশই শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। একের পর এক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ, যুদ্ধবিমানসহ যুদ্ধের নানান সরঞ্জাম আমদানি, দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত যুদ্ধাস্ত্রের পর এবার ভারতীয় প্রতিরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির ঘাতক ড্রোন। দেশের সুরক্ষার পাশাপাশি এই ঘাতক ড্রোন আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুরক্ষা রক্ষার্থেও সমানভাবে উপযোগী হয়ে উঠবে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন তথা ডিআরডিও এই উন্নত প্রযুক্তির ঘাতক ড্রোন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। ডিআরডিও এর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যে কোনো আবহাওয়ায়, দিনের যেকোনো সময়ে এই ঘাতক ড্রোন আকাশপথে শত্রুপক্ষের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে পারবে। শুধু তাই নয়, শত্রুপক্ষের ড্রোন চিহ্নিত করে তাকে কিছু সময়ের জন্য দিশাহীন বা অকেজো করে দিতেও সক্ষম এই ঘাতক ড্রোন।

এই ড্রোন এতটাই শক্তিশালী যে আকাশপথেই শত্রুপক্ষের ড্রোনের উপর হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করে দিতে পারে। ডিআরডিও সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এমন শক্তিশালী ড্রোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ডিআরডিও এর তরফ থেকে ভারত ইলেকট্রনিক্স সংস্থাকে বিপুল পরিমাণে এই শক্তিশালী ঘাতক ড্রোন প্রস্তুত করার বরাত দেওয়া হয়েছে।

ডিআরডিও সূত্রে খবর, পাকিস্তান এবং চিনা হামলার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবেই এমন অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ অ্যান্টি ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, সেনাপ্রধান জেনারেল নারাভানে, সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মত প্রশাসনিক আধিকারিকেরা যাতে শত্রুপক্ষের নজরদারির শিকার না হন, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন ঘাতক ড্রোন নির্মাণ করা হচ্ছে।