নিঃশব্দ ঘাতক এই সাপটি! যা কামড়ালে মানুষ বুঝতে পারেনা! দেখে নিন

28
নিঃশব্দ ঘাতক এই সাপটি! যা কামড়ালে মানুষ বুঝতে পারেনা! দেখে নিন

পশ্চিমবাংলায় প্রতিবছর গড়ে প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার জন মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান। কেউটে শঙ্খচূড়া বা গোখরোর মত বহু সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে অনেক মানুষের। বিষধর সাপের তালিকা হিসাব গুলির নাম অন্যতম। এই বিষধর সাপের পাশাপাশি কিছু সাপ আছে যে সাপে কামড়ালে মানুষ বুঝতে পারেনা। এই সাপটি হলো নিঃশব্দ ঘাতক। এই সাপটির নাম কালাচ সাপ।

ইংরাজিতে যার নাম কমন ক্রেট। নামে ‘ক্রেট’ বা কেউটের চিহ্ন থাকলেও পরিচিতিতে কেউটের গ্ল্যামার নেই।এই কালার সবচেয়ে বিষধর একথা অনেক মানুষই শুনলে অবাক হয়ে যাবে কারণ এই সাপ হল ফণা হীন। এই সাপ কামড়ালে জায়গাটা ফোলে না। অথচ আস্তে আস্তে নার্ভবিষের লক্ষণগুলি দেখা যায়। উপসর্গ মিলে যাওয়ায় অনেক চিকিৎসক রোগীর বাড়ির লোককে বলে নিজেকে সর্প দংশন করেছে কিন্তু রোগীর বাড়ির লোক এই কথাগুলি মানতে নারাজ হন।

পেটে ব্যথা, গলায় ব্যথা কিংবা সারা শরীর জুড়ে অস্বস্তি। জ্বর আসছে কেন তার চিকিৎসা সময়মতো শুরু না হলে অবধারিত মৃত্যু।এই নাম ছাড়াও আরও নাম আছে। শিয়রচাঁদা, নিয়রচাঁদা, ডোমনাচিতি, শাঁখাচিতি। অনেক সময় এরা মানুষের ঘামের গন্ধে বিছানাতে উঠে আসে।

এই সাপের দংশনে উপসর্গগুলি:-

১. কালাচ সাপ রাত্রে কামড়ায় তাই রাতের শেষ প্রান্ত ভোরের প্রথম প্রান্তের দিকে পেটে যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়।

২. শরীরের মধ্যে একটা যেন অস্বস্তি ভাব থাকে। অনেক সময় জ্বর জ্বর ভাব লাগে।

৩. সময় যত পেরিয়ে যাবে রোগীর চোখের পাতা তত বন্ধ হয়ে আসবে।

৪. কালাচের কামড়ে ক্ষতস্থান রোগীর ফুলে, ব্যথা হতে দেখা যায় না। উপসর্গ মিললেই যেতে হবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীদের।