মাত্র তিন বছর বয়সেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুললেন হুগলীর এই খুদে শিশু

11
মাত্র তিন বছর বয়সেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুললেন হুগলীর এই খুদে শিশু

হুগলির কোন্নগরে থাকেন ধীরাজ কুমার এবং দীপিকা কুমার যাদের একমাত্র কন্যা কাব্য, যার বয়স তিন বছর, যার হাতে খড়ি হয়নি। এক থেকে দুই বছর বাকি এখনো স্কুলে ভর্তি করার জন্য ও কথা বলতে পারেনা সে। তবে এই বয়সে থেকেই যে তার পড়ার প্রতি আগ্রহ রয়েছে সেটা বোঝা যায় তার কীর্তিকলাপ দেখে।

কখনো কখনো তাকে দেখা যায় মোবাইল দেখে বর্ণমালা, পশুর নাম, ছড়া মুখস্ত করতে। যে বয়সের বাচ্চারা মায়ের কোলে বাবার কোলে ঘোরাঘুরি করে দিন কাটায়, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে ছোট্ট কাব্য কিন্তু দুষ্টুমি না করে নিজের সঙ্গী করে নিয়েছে বই-খাতা এবং পেনকে।

হাতে পেন নিয়েই সামনে কোন খাতা থাকলে নিজের মনেই একে ফেলে নানান রকম ছবি। এইটুকুনি বয়সে এই ধরনের আঁকিবুকি দেখে অবাক হয়ে যায় তার মা-বাবা। তাদের দাবি তাদের মেয়ের যে ক্ষমতা, সেটা ভগবান প্রদত্ত। এমনকি এই ছোট্ট কাব্যর প্রতিভাকে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ও স্বীকৃতি দিয়েছে।

কাব্যর বাবা একজন ইন্ডিয়ান আর্মিতে কর্মরত যিনি থাকেন জম্মুতে এবং মা দীপিকা বাড়ির কাজে ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু অন্যদিকে ছোট্ট মেয়ে থাকে নিজের মতোই করে পড়াশুনা নিয়ে। মোবাইল দেখে দেখে শিখে ফেলে অনেক কিছু
ফুলের নাম, ফলের নাম, পশুর নাম, ছবি সমস্তকিছুই প্রায় মুখস্ত তার। আঁকতেও পারে খুব সুন্দর।

এই ধরনের অস্বাভাবিক গুণ দেখে তার মা ৬ মাস আগেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসের জন্য এপ্লাই করেছিলে এবং চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে তার কাছে পৌঁছে যায় ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডের শংসাপত্র।

কাব্যর বাবা জানিয়েছেন যে, মেয়ের কাছে থাকতে তার খুব ইচ্ছে করে কিন্তু তার উপায় নেই, কারণ দেশ রক্ষার কাজে তিনি এখন কর্মরত। ছোট্ট মেয়ের যে ইন্ডিয়া বুকে নাম উঠেছে সেটা জানতে পেরে তিনি গর্ব অনুভব করছেন।