মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আজ মানুষের মতোই সামাজিক জীবে পরিনত হয়েছে এই ভাল্লুক

7
মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আজ মানুষের মতোই সামাজিক জীবে পরিনত হয়েছে এই ভাল্লুক

সেই আদি অনন্ত কাল থেকে পৃথিবীর বহু প্রাণী মানুষের বশ্যতা স্বীকার করে এসেছে। উপযুক্ত স্নেহ-ভালোবাসা দিলে তো বনের বাঘকেও পোষ মানানো যায়। বিভিন্ন ঐতিহাসিক গল্প থেকে জানা যায়, পুরাকালে সত্যি সত্যিই রাজা-বাদশারা বাঘের মতো হিংস্র বন্য জন্তু পোষার শখ রাখতেন। শুধু বাঘ কেন, প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের ভালোবাসার কাছে একে একে বশ্যতা স্বীকার করেছে হিংস্র ভাল্লুক, বিষাক্ত সাপ, উন্মত্ত হাতি, ঘোড়া ইত্যাদি বহু বন্য পশু।

রাশিয়ার বাসিন্দা স্ভেতলানা এবং ইউরি প্যান্টিলিনকো আজ থেকে প্রায় ২৮ বছর আগে মাত্র তিন মাস বয়সি মাতৃহীন একটি বন্য শিশু ভাল্লুককে উদ্ধার করেন। উদ্ধার করার পর তারা তাকে নিজেদের পরিবারের সদস্য করে রাখেন। ভালোবাসে তার নাম দেন স্টিফেন। সেই স্টিফেন আজ ২৮ বছরের পূর্ণ বয়স্ক ভাল্লুকে পরিণত হয়েছে। তবে মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আজ সে যেন মানুষের মতোই সামাজিক জীবে পর্যবসিত হয়েছে।

সে গাছে জল দিতে ভালোবাসে, মানুষের মতোই টিভি দেখতে পছন্দ করে। তবে তার সব থেকে বড় আইডেন্টি হলো, সে রাশিয়ার এক বিখ্যাত মডেলে পরিণত হয়েছে। এত শান্ত এবং মিষ্টি স্বভাবের ভাল্লুকটি রাশিয়ার একজন ফটোগ্রাফার মিলা যাডানোভার নজরে পড়ে যায়। মিলা তাকে দিয়ে কল্পজগতের ফটোগ্রাফি করানোর পরিকল্পনা করেন। উল্লেখ্য, মিলার এই পরিকল্পনা কিন্তু ব্যর্থ হয়নি।

রাশিয়ার বহু মডেলের সঙ্গে সুন্দরভাবে ফটো তুলেছে স্টিফেন। মডেলদের সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। রাশিয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ব্রিটেন, থাইল্যান্ড, ইজরায়েলের মডেলরা স্টিফেনের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। ক্যামেরার সামনে বেশ স্বচ্ছন্দ স্টিফেন। এই প্রতিবেদনে থাকলো তার কিছু অনবদ্য নমুনা।