শশুর বাড়িতে গিয়ে খুব সহজেই আধিপত্য বিস্তার করতে পারে এই ৬ নামের মেয়েরা

23
শশুর বাড়িতে গিয়ে খুব সহজেই আধিপত্য বিস্তার করতে পারে এই ৬ নামের মেয়েরা

এই ছয় নামের মেয়েরা শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে রানীর মত রাজত্ব করেন। একদিন না একদিন বিয়ে হবে। সংসার হবে। নিজের বাড়ির সকলকে ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে থাকতে হবে। আশেপাশের চারপাশের পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে হবে। বিয়ের পরে প্রতিটি মেয়ের জীবনে আমূল পরিবর্তন আসে। শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে শুধু স্বামী নয় তাকে ছাড়াও শশুর শাশুড়ি, ননদ, জা, সবার সাথে মিলেমিশে গুছিয়ে থাকতে হয়। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে এই ৬ নামের মেয়েরা শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে রানীর মতন রাজত্ব করেন। এই ছয় নামের মেয়েদের শশুর বাড়িতে গিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করার সম্ভাবনা বেশি। সেখানে তারা সকলের মন জয় করে থাকতে পারেন।

‘A’ নামের মেয়েদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস অনেক প্রবল থাকে। এরা যেকোন কাজে উদ্যোগ নেওয়ার মতন সাহসী হন। এরা অনেক বুদ্ধিমতী হয়। এদের চট করে কেউ দমাতে পারেনা। তাই এরা শ্বশুরবাড়িতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।

‘D’ এই নামের মেয়েরা যে কোন কাজে প্রচন্ড খাটাখাটনি করতে পারে। শ্বশুরবাড়ির প্রতি এদের মনের টান অনেক বেশি হয়। এরা কোন প্রেম সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য বহুদূর লড়াই করতে পারে বহুদূর যেতে পারে।

‘M’ এই নামের মেয়েদের জুড়ি মেলা ভার। এরা মূলত নিজের কাজ এবং সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে। এরা জীবনকে অত জটিল ভাবে দেখে না। এরা অনেক সহজ সরলভাবে সবকিছু চালনা করতে ভালোবাসে। জীবন সম্পর্কে এদের দৃষ্টিভঙ্গি বাকি অনেকের তুলনায় আলাদা।

‘S’ এই নামের মেয়েরা কোন কিছু শুরু করার বিষয়ে খুব ভালোভাবে উদ্যোগী হন। এদের শক্তির মাধ্যমে এরা যে কোন বাধা অতিক্রম করে ফেলতে পারেন। এরা ভীষণ ভরসাযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়। জীবনসঙ্গী হিসেবে এরা খুব বিশ্বস্ত হন। এই কারণে এরা শ্বশুরবাড়িতে শান্তিতে সংসার করতে পারে।

‘P’ এই নামের মেয়েরা খুবই জ্ঞানী প্রকৃতির হয়। এরা ভীষণ ঠাণ্ডা মাথায় কোন চিন্তা ভাবনা করে। যা কিছু সিদ্ধান্ত খুব ভেবেচিন্তে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেয়। এদের কোন কিছু শেখার ইচ্ছা অনেক প্রবল। এরা অনেক বুদ্ধিমতী হওয়ার কারণে নানা ঝামেলায় জড়াতে পারে না। সেই কারণে এরা শ্বশুরবাড়িতে সবার কাছে খুব প্রিয় হয়ে ওঠে।

‘R’ এই নামের মেয়েরা খুব স্বচ্ছ শীল স্নিগ্ধ হয়। জ্ঞানের ক্ষেত্রে এদের বিচার অনেক বেশি। যেহেতু এদের জ্ঞান অনেক প্রবল সেই কারণে এদের কূটনৈতিক বোধ অনেক বেশি। যা এদের নানা বিপদে আপদে নিজেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এরা পরিবারের সুখ শান্তি রক্ষা করার জন্য সবকিছু ত্যাগ করে দিতে পারে। এই কারণে এরা পরিবারের ভীষণ প্রিয় হয়ে ওঠে।