পুরুষের আকাল পড়েছে পৃথিবীর এই দেশ গুলিতে! দেখে নিন নারী পুরুষের অনুপাত

48
পুরুষের আকাল পড়েছে পৃথিবীর এই দেশ গুলিতে! দেখে নিন নারী পুরুষের অনুপাত

একদিকে যেখানে ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো শিশুকন্যার হত্যার কথা সামনে উঠে আসে, সেখানে এই পৃথিবীতে এমন কিছু দোষ রয়েছে যেখানে পুরুষের সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। নারী এবং পুরুষদের মধ্যে নারীরা সেখানে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন পুরুষদের থেকে। রাশিয়া, লিথুনিয়া, ইউক্রেন, আর্মেনিয়া, বেলারুশ, লাটভিয়ার মতো বিভিন্ন দেশে পুরুষদের যেনো আকাল পরে গেছে। এই সমস্ত দেশগুলিতে মেয়েরা বিবাহ করার জন্য ভারত এবং বাংলাদেশের পুরুষদের উপর নির্ভর করতে শুরু করেছেন।

অন্যদিকে এশিয়ার জনবহুল দেশে মহিলাদের থেকে পুরুষদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে যাবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই মজা করে দেখেন, ইউরোপের যে সমস্ত দেশে পুরুষদের সংখ্যা কম সেখানে যদি পুরুষেরা একা বেড়াতে যান তাহলে খুব সাবধানে যেতে হবে কারণ সেখানে তাদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।

লাটভিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা-পড়ুয়াদের সংখ্যা ছেলেদের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি, নিঃসন্দেহে এটি অনেকটাই বেশি সংখ্যা। একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, এই দেশগুলোতে ছেলেদের মৃত্যুর গড় বয়স অনেকটাই কম। ফলে মেয়েদের বিয়ের আগেই অনেকাংশের মৃত্যু হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় পুরুষদের আত্মহত্যার হার অনেকটাই বেশি। ফলে শেষমেষ পুরুষদের সংখ্যা মেয়েদের থেকে কমে যাচ্ছে ব্যাপকহারে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী লাটভিয়ায় ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৮। লিথুনিয়ার প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৭.২। আর্মেনিয়ার প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৫।রাশিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৩। বেলারুশে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.২। ইউক্রেনে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৮৭। এইসব অঞ্চলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা আরো ১১ বছর বাঁচে।