বন্ধুর পচাগলা দেহ নিয়ে একই ঘরে বাস যুবকের

15
বন্ধুর পচাগলা দেহ নিয়ে একই ঘরে বাস যুবকের

কয়েকদিন ধরে বন্ধুর পচাগলা দেহ নিয়ে একই ঘরে বাস যুবকের। কলকাতার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া এবার শিলিগুড়ি লাগোয়া বাগডোগরায়। এলাকার এমইএস ভুজিয়াপানির এই ঘটনায় শনিবার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে।

জানা গিয়েছে মৃতের নাম রামকৃষ্ণ গুরুং। সে আলিপুরদুয়ার জেলার হাসিমারার বাসিন্দা ছিল। ঘটনায় বন্ধু রাহুল ঝাঁ এবং বাড়ির মালিক সুনীল বারিককে আটক করেছে বাগডোগরা থানার পুলিশ।

এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রামকৃষ্ণ গুরুং চার-পাঁচদিন আগে এলাকায় এসেছিল। রাহুল তাকে সেখানে নিয়ে আসে। এদিন সকালে ঘর থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তারপরই পুলিশ এসে দরজা খুলে দেখে রামকৃষ্ণের মৃতদেহ। একই ঘরে ঘুমচ্ছে রাহুল ঝাঁ।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় বন্ধু রাহুল এবং বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাগডোগরা এলাকায় মাদকাসক্তদের উপদ্রব বেড়েছে। রাহুল ঝাঁ নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। দুই বন্ধুর টাকা নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে খুনের ঘটনা ঘটেছে কি না তা নিয়ে ধন্দে স্থানীয়রা।

অন্যদিকে ঘটনার খবর শুনে, সেখানে পৌছায় অভিযুক্ত রাহুল ঝাঁ-র বাবা সুভাষ ঝাঁ। তিনি জানান, তার ছেলে মানসিক অবসাদের শিকার। যারফলে নেশাসেবন করত সে। তবে বন্ধুকে খুন করে থাকলে তার সাজা যেন রাহুলকে দেওয়া হয়।