খবরের কাগজে নয় নিজের দোকানেই ‘ভাল পাত্রী চাই’ বলে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন এই যুবক

14
খবরের কাগজে নয় নিজের দোকানেই 'ভাল পাত্রী চাই' বলে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন এই যুবক

খবরের কাগজে প্রতিদিনই চোখে পড়ে পাত্র-পাত্রী চাই বিজ্ঞাপনগুলি। আবার অনেকে বিভিন্ন ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটগুলিতে রেজিস্টার করে থাকে পাত্র-পাত্রীর জন্য। কিন্তু কেরলের ত্রিচূরের ভাল্লাচিরার বাসিন্দা ৩৩ বছরের উন্নিকৃষ্ণণ এ ব্যাপারে বেশ ‘আত্মনির্ভর’। তিনি জীবনসঙ্গীনির খোঁজে রয়েছেন। তাঁর অবশ্য কোনো প্রেমিকা নেই। তাই বিয়ের জন্য নিজের দোকানেই একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন ‘ভাল পাত্রী চাই’ বলে।

জীবনসঙ্গীনি নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্য বিশেষ কোনো ‘ক্রাইটেরিয়া’-র উল্লেখ করেননি উন্নিকৃষ্ণণ। জাত-পাত বা ধর্ম কোনো কিছুতেই সমস্যা নেই তাঁর। তাঁর মতে, শুধু ভালো একজন পাত্রী চাই । এটুকুই চাহিদা ৩৩ বছরের কেরলের যুবকের ।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কোনো কিছুই প্রচার করতে যে খুব বেশি সময় লাগে না তা তো আমাদের সকলেরই জানা। উন্নিকৃষ্ণণ নিজের দোকানেই সাইনবোর্ডটি লাগিয়েছিলেন। আর এই এই ছবি তাঁর এক বন্ধু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ব্যস তাতেই কাজ হয়েছে যথেষ্ট। এখন পাত্রীপক্ষের ফোন কলের অভাব নেই। এমনকী, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড থেকেও বিয়ের জন্য ফোন কল এসেছে উন্নিকৃষ্ণণের কাছে। এখন উন্নিকৃষ্ণণের একমাত্র কাজ একজন ঠিকঠাক মানুষকে তাঁর জীবনসঙ্গীনি হিসেবে বাছাই করা।

এর আগে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। কিন্তু মাথায় টিউমারের অস্ত্রোপচারের পর আর সেই কাজ চালিয়ে যেতে পারেননি। বাড়ির সামনেই একটি চায়ের দোকান খুলেছেন উন্নিকৃষ্ণণ। সেখানে লটারির টিকিটও বিক্রি করেন তিনি। এখন একজন ভালো লাইফ পার্টনারের খোঁজে উন্নিকৃষ্ণণ। পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবরা মিলে অনেক পাত্রী খোঁজার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হয়নি । অবশেষে নিজের দোকানে এই সাইনবোর্ড লাগিয়েই সাড়া পেলেন ৩৩ বছরের কেরলের যুবক। তিনি জানান, বিদেশ থেকেও অনেক মালয়েলি মেয়েদের পরিবারের কাছ থেকে তিনি বিয়ের জন্য ফোন কল পেয়েছেন। দোকান চালানোর পাশাপাশি এখন প্রতিদিন প্রচুর ফোনও ধরতে হচ্ছে উন্নিকৃষ্ণণকে।