নেশার পেছনে ছুটতে ছুটতে মদ ভেবে স্যানিটাইজার খেয়ে মৃত্যু ৭ যুবকের

10
নেশার পেছনে ছুটতে ছুটতে মদ ভেবে স্যানিটাইজার খেয়ে মৃত্যু ৭ যুবকের

নেশা শব্দটা, কত মানুষের জীবন শেষ করে দিয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না। তাও মানুষ নেশার পিছনে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। এই নেশার পেছনে ছুটতে ছুটতে ঘটলো ঘটনা। স্যানিটাইজার কে মদ ভেবে ৯ জন যুবক খেয়ে ফেলল, ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হতে হলো প্রায় ৭ জনের।

এ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব রাশিয়ার অবস্থিত ইয়াকুতিয়াতে। একটি গ্রামে সেখানে কয়েকজন যুবক মিলে পার্টি করেছিল এবং সেখানে লেবেল ছাড়া বোতলে মদ এর জায়গায় ছিল স্যানিটাইজার। মদ ভেবে স্যানিটাইজার খাওয়ার ফলে একজনের সেই জায়গাতেই মৃত্যু হয় এবং বাকি ৬ জনকে সাথে সাথে হসপিটালে নিয়ে গেলেও তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দুইজন কোমায় এখন। চিকিৎসকরা সকলকেই বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যে ৬ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেই ছয়জনকে বাঁচালো সম্ভব হয়নি চিকিৎসকদের পক্ষে কিন্তু যে দুজন কোমায় রয়েছে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা ক্রমাগত চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকদের তরফ থেকে জানা গেছে যে এই দু’জনকে বাঁচানো হলো তাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ এর মত।

ঘটনার বিষয়ে যখন তদন্ত করা হয় তখন জানা যায় যে, এই যুবকেরা কাছের একটি দোকান থেকে ৫ লিটারের স্যানিটাইজার বোতল কেনেন এবং এই বোতলটি পরে পাওয়া গিয়েছিল। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে ওই স্যানিটাইজারের বোতলে অ্যালকোহলের পরিমাণ অত্যন্ত কম এবং মিথানল ছিল প্রায় ৬৯ শতাংশ। এই মিথানল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কেউ যদি মিথানল খায় তবে তার মৃত্যু নিশ্চিত।

ঘোষণা করা হয়েছিল কম দামের যে সমস্ত অ্যালকোহল গুলি রয়েছে সেগুলো যেন না খাওয়া হয়। সেই ঘোষণাকে অগ্রাহ্য করে অনেকেই কম দামে কিনে থাকেন। তার ফলস্বরূপ ঘটল এই ঘটনা।

এ ঘটনা ঘটার পরে রাশিয়ার কিছু স্যানিটাইজার বিক্রির দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় এবিং ইয়াকুতিয়ায় ৭ দিনের জন্য অ্যালকোহল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।