সম্প্রতি নিরাপত্তার স্বার্থে এক হাজারেরও বেশি চীনা নাগরিকদের ভিসা বাতিল করল মার্কিন প্রশাসন

6
সম্প্রতি নিরাপত্তার স্বার্থে এক হাজারেরও বেশি চীনা নাগরিকদের ভিসা বাতিল করল মার্কিন প্রশাসন

চীন এবং ভারতের যুদ্ধের ঘোষণার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। চীনকে বারবার সাবধান করে দিয়েছিলেন যাতে ভারতের দিকে অগ্রসর নীতি অবিলম্বে বন্ধ করে দেয় চীন। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হুমকি কে একটুও পাত্তা না দিয়ে চীন ফের রাতের আধারে প্রবেশ করতে চেয়েছিল ভারতের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত এবং চীনের মধ্যস্থতাও করতে চেয়েছিলেন বহুবার। কিন্তু সেই সব কিছুকে উপেক্ষা করে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় চীন।

গত ২৯ শে মে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিনের যেসব ছাত্র এবং গবেষকদের নিরাপত্তা পক্ষে বিপজ্জনক বলে মনে করা হবে তাদের কোনো ভাবেই ভিসা দেয়া হবে না। সেই বিবৃতি অনুযায়ী মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি এক হাজারেরও বেশি চীনা নাগরিকদের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে। ভিসা বাতিল এ তালিকায় রয়েছেন চিনা ছাত্র-ছাত্রী এবং গবেষকগণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিপদজনক, এই যুক্তি দিয়ে চিনা পড়ুয়া এবং গবেষকদের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

আমেরিকার মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, গত ২৯ শে মে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, গবেষণার আছিলায় বিভিন্ন চিনা ছাত্র-ছাত্রী এবং গবেষকদের মাধ্যমে চীনা সামরিক বাহিনীর হাতে কৌশলগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল তথ্য পাচার করা আটকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মন্ত্রকের কার্যনির্বাহী প্রধান জানিয়েছেন যে, চিনা ছাত্র বা গবেষকদের সঙ্গে যদি কোনভাবে তাদের দেশের সেনাবাহিনী যোগাযোগ থেকে থাকে, তাহলে তাদের আর ভিসা দেওয়া হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন রকম গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য যাতে চুরি করা যায় সেই কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগেও অনেক চীনা নাগরিক আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার করেছেন। তারা মহামারীর গবেষণার ফলাফল চুরি করতে চেয়ে ছিলেন এর আগে, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের তৎপরতায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চীনা পণ্য বয়কট এর পক্ষে অভিযোগ জানিয়ে বলেন যে,”চীনে দাস প্রথার মাধ্যমে যে সমস্ত পণ্য উৎপাদন করা হয়, আমেরিকায় সেই সমস্ত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে অবিলম্ব। কোনরকম চীনা পণ্য কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে মুসলিমদের ওপর এভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে, তার প্রতিবাদ করার জন্য এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
মার্কিন বিদেশ দফতরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, আমরা চীনের নাগরিকদের বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে ঠিকই কিন্তু কিছু ক্ষুদ্র অংশকে বিপদজনক বলে মনে করা হচ্ছে। বাকিগুলো তে আগের মতোই আমেরিকায় স্বাগত জানানো হবে।