প্রতিরক্ষা দপ্তরকে আরো মজবুত করতে এবার “পিনাকা রকেট লঞ্চার” কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করলো কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক

162
প্রতিরক্ষা দপ্তরকে আরো মজবুত করতে এবার

লাদাখের ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় নিজেদের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ চীনা সেনাবাহিনী। ফলে সীমান্ত উত্তেজনা দিন প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তরকে আরো মজবুত করে তুলতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্র ভান্ডার ঢেলে সাজানো হচ্ছে। রাফায়েল, সুখোইয়ের মত যুদ্ধবিমানের পর এবার “পিনাকা রকেট লঞ্চার” কিনতে দুটি দেশীয় সংস্থার সঙ্গে ২,৫৮০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করলো কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারতের সঙ্গে চীন এবং পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় এই “পিনাকা রকেট লঞ্চার”মোতায়েন করা হবে। এর জন্য দেশীয় সংস্থা “টাটা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড” এবং “লারসন অ্যান্ড টুব্রো”কে এই সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করার বরাত দেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পাবলিক সেক্টরের অধীনস্থ “ভারত আর্থ মুভারস লিমিটেড”র গাড়িতে টাটা এবং লারসন কোম্পানির রকেট লঞ্চার বসানো হবে।

সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতের মোট ছয়টি পিনাকা রেজিমেন্টের জন্য সর্বমোট ১১৪টি রকেট লঞ্চার কিনা হবে। যার মধ্যে, অটোমেটেড গান অ্যামিং এবং পজিশনিং সিস্টেম থাকবে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই মিসাইল রেজিমেন্ট গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। বর্তমানে, ডিআরডিও সংস্থাটি দেশীয় প্রযুক্তিতে “পিনাকা মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম” প্রস্তুত করে।

ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বানানো মার্ক-১ পিনাকা মিসাইলের রেঞ্জ ছিল ৪০ কিলোমিটারের। মার্ক-২ য়ের রেঞ্জ বাড়িয়ে ৭৫ কিলোমিটার করা হয়। বর্তমানে পিনাকা মিসাইলের রেঞ্জ বাড়িয়ে ৯০ কিলোমিটার করা হয়েছে। টার্গেটে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম পিনাকা মিসাইল।