সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

17
সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

অনেকদিন ধরেই বুদ্ধিজীবি মহল নাগরিকপঞ্জি আর CAA নিয়ে সরব ছিল। প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ।

শুধু তাই নয়; বলিউডে যেমন অনুরাগ কাশ্যপ, স্বরা ভাস্কররা আওয়াজ তুলেছেন, তেমনই বাংলা থেকে অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন, সোহাগ সেন, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ঋদ্ধি সেন পথে নেমে প্রতিবাদও জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ হয়েছে দেশজুড়ে।

কেন্দ্রের মোদি সরকার এবার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো মুসলিম অধ্যুষিত দেশ থেকে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়–যেমন হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও জৈন সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ইতিমধ্যেই গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মোট ১৩ টি জেলায় বসবাসরত অ–মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পেতে আবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছে। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের আওতায় তাঁদের দেশের নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এটা ঘটনা, মুসলিম দেশগুলি থেকে নিপীড়িত হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের জন্য তৈরি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এখনও বলবৎ করা হয়নি। যার ফলে এখনই কার্যকর হচ্ছে না সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস সত্বেও গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই আইন কার্যকর করার সময়সীমা আরও বেড়েছে। চলতি বছরে এই আইন কার্যকর করার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে দেয় সংসদীয় কমিটি। বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে কার্যকর করতে হবে এই নাগরিকত্ব আইন। ফলে অ–মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া কার্যত থেমে গিয়েছে।