কোর্টের রায় পুনর্বিবেচনা করার দাবীতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে চলেছে রাজ্যের “ফোরাম ফর দুর্গোৎসব”

7
কোর্টের রায় পুনর্বিবেচনা করার দাবীতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে চলেছে রাজ্যের

সোমবার হাইকোর্টের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়, এবছর পুজোমণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না কোনো দর্শক। পুজো মণ্ডপে “নো এন্ট্রি'” বোর্ড টাঙ্গিয়ে রাখতে হবে। মন্ডপ চত্বরের ৫ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না কোনো বহিরাগত। মহামারীর আবহে সংক্রমণ এড়াতেই এহেন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

তবে হাইকোর্টের এই নির্দেশে খুশি নন পুজো উদ্যোক্তারা। তাদের দাবি, এমন হলে পূজোর সমস্ত আয়োজন ভেস্তে যাবে। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানিয়ে আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে চলেছে রাজ্যের “ফোরাম ফর দুর্গোৎসব”। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলার পুনরায় শুনানি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাইকোর্টের তরফ থেকে ঐতিহাসিক রায় প্রদানের পর “ফোরাম ফর দুর্গোতৎসব” এর সম্পাদক শাশ্বত বসু জানান, এমন নির্দেশ পেয়ে তারা মর্মাহত। কোর্টের সিদ্ধান্ত আরো বেশি বাস্তবোচিত হওয়া উচিত ছিল। শেষ মুহূর্তে এসে এখন হাইকোর্টের এই নির্দেশ পেয়ে স্বভাবতই বিপাকে পড়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। তাই হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় আবেদন জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গতকাল হাইকোর্টে তরফ থেকে যে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে একাধিক নিয়ম-নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ছোট মন্ডপ গুলির ৫ মিটারের মধ্যে এবং বড় মন্ডপের ক্ষেত্রে ১০ মিটারের মধ্যে দর্শনার্থী প্রবেশ করা চলবে না। পাশাপাশি, পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে থেকে বড়জোর ১৫ থেকে ২৫ জন সদস্য পূজার আয়োজনের জন্য মণ্ডপে থাকতে পারেন। তবে তাদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করতে হবে। সেই তালিকার বাইরে কেউ মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না।