রাজ্যের অবস্থা কি তাহলে হাতের বাইরে, নয়া নির্দেশিকার পরই উঠল প্রশ্ন

65
রাজ্যের অবস্থা কি তাহলে হাতের বাইরে, নয়া নির্দেশিকার পরই উঠল প্রশ্ন

করোনা আবহে রাজ্য ও দেশের অবস্থা খুবই খারাপ। এদিকে দেশের আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজ্যেও তার কম কিছু হচ্ছে না। কিন্তু ঝামেলা হচ্ছে অন্য জায়গায় রাজ্যের সাথে কেন্দ্রের বিবাদ নিয়ে। আসলে রাজ্যের আক্রান্তের সংখ্যার সাথে কেন্দ্রের আক্রান্তের সংখ্যা কোনোভাবেই মিল খাচ্ছে না। তাছাড়া রাজ্যের বিরোধীদের মুখ থেকে বার বার শোনা যাচ্ছে তথ্য গোপনের কথা, এর ফলে কিছু ভিডিও ও অডিও ক্লিপও ভাইরাল হচ্ছে বাজারে। আর এই সব দেখেই মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পরছে।

বিরোধীরা জানাচ্ছে রাজ্যের অবস্থা এখন কোনোভাবেই ভালো নেই। আর এটা এখন রাজ্য সরকার যেনো মানতে বাধ্য হচ্ছে,এম এমনটাই শোনা যাচ্ছে বিরোধীদের পক্ষ থেকে। কারণ রাজ্য সরকার এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুগলির বিভিন্ন কন্টেনমেন্টের মধ্যে থাকা কারখানাগুলো বন্ধ রাখা হবে, কিন্তু এর সাথে তারা এটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কন্টেইনমেন্টের বাইরে থাকা কারখানা গুলোকেও বন্ধ রাখা হবে, আর এখানেই বিরোধীদের খটকা। তারা জানাচ্ছে যদি রাজ্যের বর্তমান অবস্থা ভালোই হয়ে থাকে তাহলে কনটেইন মেন্টের বাইরে থাকা কারখানা গুলোকেও বন্ধ রাখা হচ্ছে কেনো?

এই খবর কানে আসতেই চুপ করে থাকে নি কেউ, সবাই একেবারে জাতীয় স্তরের সবাই এটি নিয়েচর্চা করা শুরু করেছে। এদিকে অমিত মাল্যব জানিয়েছেন , যিনি বিজেপির আইটি সেলের দায়িত্বে আছে, তিনি বলেন, মমতা ব্যানার্জী কেনো হুগলির যে সমস্ত শিল্প আছে সেগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে, তাহলে কি তিনি কিছু লুকাতে চাইছে? তার মানে তিনি এমন কিছু জানে , যা তিনি বাইরের মানুষদের কাছে প্রকাশ করতে চায় না। যেটা এখন খুবই চিন্তার পশ্চিমবঙ্গের জন্য।

এদিকে আবার কেন্দ্রের সাথে কোনোভাবেই রাজ্যের তথ্য মিলছে না, এখন যদি দেখা যায় তাহলে দেখা যাবে দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তথ্য নিয়েই কেন্দ্রের সাথে অমিল দেখাচ্ছে, যেটা কোনো মতোই উচিৎ না। এদিকে এই সংখ্যা নিয়ে মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছেন, যারা মারা গেছে ও যারা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে তাদের এই সংখ্যায় ধরা যাবে না। কিন্তু এদিকে বিরোধী দল বার বার বলে যাচ্ছে আক্রান্তের পরিবারকে না জানিয়েই দেহ করে ফেলা হচ্ছে সৎকার, এমনকি মারা যাওয়ার পরে করা হচ্ছে নমুনা টেস্ট।