তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা পেয়ে আগে থেকেই তৈরি হচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর

8
তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা পেয়ে আগে থেকেই তৈরি হচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে আতঙ্কিত সারা ভারতবর্ষ। দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই কমবেশি লকডাউন চালু করা হয়েছে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য। করোনার দ্বিতীয় পর্বে ১৮-৪৫ বছর বয়সীদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। তবে এরই মাঝে আবার চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চলতি বছরেই দেশে আছড়ে পড়তে চলেছে করোনার তৃতীয় এবং সবথেকে ভয়ঙ্কর ঢেউ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা। শিশু এবং সদ্যজাতরা করোনার পরবর্তী ঢেউয়ে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হতে চলেছে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে এমন সতর্কবার্তা পেয়ে আগে থেকেই তৈরি হচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং কলকাতার সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলিকে এই মর্মে সতর্ক করা হয়েছে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে রাজ্যের প্রতিটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনসেন্টিভ কেয়ার ইউনিট বা পিকু, সদ্যজাতদের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা নিকু, বিশেষ ভাবে সদ্যোজাতদের কেয়ার ইউনিট বা এস এন সি ইউকে করোনা মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো আপস নয়। হাসপাতালগুলিতে পরিকাঠামোগত কোনো ত্রুটি থাকলে অবিলম্বে তার ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য।

রাজ্য সরকারের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠন করে ফেলা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স শিশুদের এবং সদ্যোজাতদের চিকিৎসা নিয়ে খসড়া প্রকল্প তৈরি করার কাজ শুরু করেছে। শিশুদের চিকিৎসার জন্য যে ধরনের যন্ত্রপাতি প্রয়োজন এখন থেকেই তার অর্ডার দিয়ে রাখা হয়েছে। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে রাজ্য।