‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পে দ্রুত গতি আনার জন্য নির্দেশিকা পাঠালো রাজ্য সরকার

5
‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পে দ্রুত গতি আনার জন্য নির্দেশিকা পাঠালো রাজ্য সরকার

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে মাসিক মাসোহারার ব্যবসা করার আশ্বাস দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার রাজ্যের গৃহবধূদের জন্য ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের শিলান্যাস খুব তাড়াতাড়ি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি রাজ্যের তরফ থেকে এই ব্যবস্থায় দ্রুত গতি আনার জন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে সমস্ত জেলা স্তরের কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নেতৃত্বে আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের কাছে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রস্তাবিত উপভোক্তাদের তালিকা প্রস্তুত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা হাতে পাওয়ার পর থেকেই তা খতিয়ে দেখে প্রকল্প রূপায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের বিষয়ে রাজ্যবাসীকে সচেতন করার কাজও শুরু হয়েছে।

রাজ্যের একজন মহিলাও যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য যথাযথ সচেতনতামূলক প্রচারের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রচারের জন্য প্রচারপত্র বিলি ব্যবস্থা এবং লোকশিল্পীদের দিয়ে পথনাটিকার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের সূচনা করবেন বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্যের তরফ থেকে সম্পন্ন প্রাথমিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, প্রাথমিক স্তরে ১ কোটি ৬৯ লক্ষের বেশি মহিলা এই প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবেন। এই প্রকল্পের আওতায় তপশিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা মাসে এক হাজার, এবং সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা মাসে ৫০০ টাকা করে মাসোহারা পাবেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করার জন্য আর্থিক বছরের বাজেটে ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।