ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই সবরকম প্রস্তুতি নিলো রাজ্য প্রশাসন

19
ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই সবরকম প্রস্তুতি নিলো রাজ্য প্রশাসন

গতবছর আমফানে তছনছ হয়ে গিয়েছিল রাজ্যের তিনটি জেলা। এই বছরেও আরেক ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় যশ আসতে চলেছে। যশের মোকাবিলায় তাই আর কোন ফাক রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। নবান্নের পার্শ্ববর্তী উপান্ন মহল থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলার উপর নজর থাকবে রাজ্য প্রশাসনের।

এনডিআরএফ উদ্ধার কার্য পরিচালনা করার জন্য একেবারে তৈরি। ঘূর্ণিঝড় দুর্গতদের জন্য পানীয় জল, ফ্লাড সেন্টারে মানুষদের রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ২৪শে মে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে চলেছে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় ঘূর্ণিঝড় আরো শক্তিশালী হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে থাকবে।

২৬শে মে সকালের দিকে এই ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গ উড়িষ্যা এবং বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। ২৪শে মে সন্ধ্যা থেকে প্রবল ঝড় শুরু হবে। ঘন্টায় প্রায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড়। ২৫শে মে ঘুর্ণিঝড়ের গতিবেগ বৃদ্ধি পাবে। ৫০-৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে ঝড় বইবে। এরপর ২৬শে মে ঘূর্ণি ঝড়ের গতিবেগ আরো বৃদ্ধি পাবে এবং বিকেলের দিকে তা ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে পৌঁছে যেতে পারে।

একই সঙ্গে শুরু হবে প্রবল বৃষ্টিপাত। ২৬ তারিখ থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হবে উপকূলবর্তী অঞ্চলে। মৎস্যজীবীদের তাই ২৩ তারিখের পর গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় হাসনাবাদ, সন্দেশখালি, গোসাবা, কাকদ্বীপ, সাগর, দীঘা-২,রামনগর, কাঁথি, ডায়মন্ডহারবার, কলকাতা ও হাওড়াতে NDRF টিম মোতায়েন করা হয়েছে।