পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মাস্কের দাম চড়াচ্ছেন বিক্রেতারা, তাই দাম বেধে দিল এই রাজ্য সরকার

7
পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মাস্কের দাম চড়াচ্ছেন বিক্রেতারা, তাই দাম বেধে দিল এই রাজ্য সরকার

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে সবার প্রথমেই প্রয়োজন মাস্ক। কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা বরাবর দেশবাসীকে মাস্ক পরিধান করার নিদান দিচ্ছেন। ফলে, স্বভাবতই দেশে মাস্কের চাহিদা বাড়ছে। এদিকে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন বিক্রেতারা। তারাও চাহিদা বুঝে মাস্কের দাম চড়াচ্ছেন নিজের মতো করে। এই সমস্যার সমাধানে এবার মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে এক অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।

করোনা সংক্রমণ এড়াতে প্রথম প্রয়োজনীয় মাস্কের দাম রাজ্যবাসীর সাধ্যের মধ্যে রাখতে দ্বিস্তরীয় ও ত্রিস্তরীয় এবং এন ৯৫ মাস্কের দাম নির্ধারণ করে দিলো মহারাষ্ট্রের উদ্ভব ঠাকরের সরকার। সম্প্রতি, মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে জানালেন, দ্বিস্তরীয় মাস্কের ক্ষেত্রে ৩ টাকা, ত্রিস্তরীয় মাস্কের ক্ষেত্রে ৪ টাকা এবং এন ৯৫ মাস্কের ক্ষেত্রে ১৯ টাকা থেকে শুরু করে সর্বাধিক ৪৯ টাকার বেশি নিতে পারবেন না বিক্রেতারা।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি দিয়ে জানালেন, রাজ্য সরকারি নির্দেশ অনুসারে প্রত্যেক রাজ্যবাসীর মাস্ক পরিধান করা বাধ্যতামূলক। যারা সেই নির্দেশ মারবেন না তাদের সরকার নির্ধারিত শাস্তি পেতে হবে, পাশাপাশি জরিমানাও করা হবে। তাই, মাস্কের দাম জনসাধারণের আয়ত্তের মধ্যেই রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মহারাষ্ট্র সরকার।

সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই মাস্কের এই নতুন দামে অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। রাজ্যের নির্দেশ অনুসারে দোকানের বাইরে প্রত্যেক মাস্কের দাম লিখে রাখতে হবে। মাস্কের এই নব-নির্ধারিত দাম প্রত্যেক মাস্ক নির্মাতা কোম্পানি, ডিস্ট্রিবিউটর এবং খুচরা বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রের লাগামহীন সংক্রমণের নিরিখে সে রাজ্যে এখন মহামারী আইন কার্যকর রয়েছে। তাই ধনী-গরীব নির্বিশেষে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ যাতে মাস্ক কিনতে পারেন, তার জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।