স্বচ্ছ এবং অবাধ নির্বাচনের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন রাজ্য শাসকদলের নেতা-নেত্রীরা

6
স্বচ্ছ এবং অবাধ নির্বাচনের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন রাজ্য শাসকদলের নেতা-নেত্রীরা

পশ্চিমবঙ্গে এখন স্বচ্ছভাবে নির্বাচনের ইস্যুই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জের দরুন পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের সমস্ত দায় ভার নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ছেড়েছে। এই নিয়ে অবশ্য রাজ্য শাসকদল বেজায় ক্ষুব্ধ।।”স্বচ্ছ এবং অবাধ” নির্বাচনের দাবি তুলে এবার রাজ্য শাসকদলের তরফের নেতা-নেত্রীরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন। রাজ্যের তরফের একটি প্রতিনিধি দল আজ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন।

শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করবেন রাজ্যের এই বিশেষ প্রতিনিধি দল যে দলে রয়েছেন সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র এবং তৃণমূলের নতুন সদস্য যশবন্ত সিনহা। প্রসঙ্গত এতদিন বিরোধী বিজেপি শিবির রাজ্যের স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতে সরব ছিল। এবার সেই দলে যোগদান করলো খোদ রাজ্য শাসক দল।

প্রসঙ্গত, বিরোধী শিবিরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন চলতি দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সদস্য বরাবর বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে বারংবার রাজ্যে স্বচ্ছ নির্বাচন প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। সেইমতো রাজ্য পুলিশের ক্ষমতা খর্ব করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই রাজ্যের নির্বাচনের সমস্ত দায় ভার অর্পণ করেছে কমিশন।

তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পশ্চিমবঙ্গে আগমন এবং ভোটের কার্যকলাপে হস্তক্ষেপকে কেন্দ্র করে রাজ্য শাসক দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের পাল্টা দাবি, এমনটা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষপাতিত্বে ভোটে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ কমিশনের কাছে নিজেদের অভিযোগ পেশ করতে চলেছেন সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র এবং যশবন্ত সিনহারা। এতে কমিশনের উপর চাপ বাড়লো বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।