কেন্দ্রীয় শর্ত মেনে বৈঠকে বসতে রাজি নন জানিয়ে দিলো ৩০টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ

7
কেন্দ্রীয় শর্ত মেনে বৈঠকে বসতে রাজি নন জানিয়ে দিলো ৩০টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ

কেন্দ্রের কোনো রকম শর্ত মেনে সরকার প্রস্তাবিত বৈঠকে বসতে রাজি নয় কৃষি আইন নিয়ে বিক্ষোভরত কৃষকেরা। রবিবার কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বরা একজোট হয়ে তা জানিয়ে দিলেন। নয়া দিল্লির যন্তর মন্তরের জায়গায় কৃষকদের বুরারির মাঠে সরে যাওয়ার প্রস্তাব রাখে কেন্দ্র। কিন্তু কৃষক সংগঠনগুলি কেন্দ্রের এই প্রস্তাব মানতে নারাজ। ফলে, রবিবারেই বিক্ষোভরত ৩০টি কৃষক সংগঠনের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো, কেন্দ্রীয় শর্ত মেনে তারা বৈঠকে বসতে আগ্রহী নন।

উল্লেখ্য, পাঞ্জাব, হরিয়ানাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষকেরা জোটবদ্ধ হয়ে “দিল্লি চলো” অভিযানে অংশগ্রহণ করেছেন। কৃষক বিক্ষোভের আঁচ দিল্লি অবধি পৌঁছে যাওয়াতে কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও এদিন আগামী ৩রা ডিসেম্বরের বৈঠকে কৃষকদের অংশগ্রহণ করার আবেদন জানান। প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে হরিয়ানা-দিল্লির সিংঘু সীমান্তে কৃষক সংগঠনগুলি বৈঠকে বসে।

বৈঠকের পর ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (সিংঘুপুর) সভাপতি জগজিৎ সিং ডালেওয়াল জানিয়ে দিলেন, কেন্দ্রের শর্ত মেনে বৈঠকে অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লি বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্ত রেখেছে কেন্দ্র। এই শর্ত মেনে বৈঠকে বসার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ৩০টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ।

তিনি আরও জানিয়েছেন, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় কৃষকেরা ধরনা দিচ্ছেন। এই মুহূর্তে কেন্দ্রের শর্ত মেনে আলোচনা সম্ভব নয়। তিনি জানিয়েছেন, এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে তারা লিখিত উত্তর পাঠাবেন। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি কৃষকদের উদ্দেশ্যে প্রস্তাব রাখেন, কৃষকেরা জাতির শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে পারেন তার জন্য উত্তর দিল্লির বুরারির মাঠে জল, শৌচাগার, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে সরে গেলেই কেন্দ্রের তরফ থেকে বৈঠকের আয়োজন করা হবে। কিন্তু অমিত শাহের সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিল কৃষক সংগঠনগুলি।