ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল ডুয়ার্সের গরুমারা ও চাপরামারি অভয়ারণ্য

9
ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল ডুয়ার্সের গরুমারা ও চাপরামারি অভয়ারণ্য

পশ্চিমবঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে আংশিক লকডাউন ঘোষণা হয়েছে রাজ্যে। এবার সরকারি নির্দেশ অনুসারে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ হয়ে গেল অভয়ারণ্য, ইকো ট্যুরিজম, ব্যাঘ্র সংরক্ষণ বনাঞ্চল এবং চিড়িয়াখানা। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল ডুয়ার্সের গরুমারা ও চাপরামারি অভয়ারণ্যে পর্যটকদের প্রবেশ। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা।

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ ছিল ডুয়ার্সের এলিফ্যান্ট সাফারি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ফের জঙ্গলে প্রবেশ বন্ধের এই নির্দেশিকায় কার্যত মাথায় হাত পড়েছে বহু ব্যবসায়ীর। বন দফতরের এই নতুন নির্দেশিকায় ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি, মূর্তি, বাতাবাড়ি, ধুপঝোরা, মঙ্গলবাড়ি, মাথাচুলকা, চালসা-সহ বিভিন্ন এলাকার পর্যটন ব‍্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মূর্তি জিপসি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মজিদুল আলম বলেন, “অনিদিষ্টকালের জন্য জঙ্গল বন্ধ হওয়ার ফলে জিপসি চালক, ট্যুরিস্ট গাইডরা আবার কর্মহীন হয়ে পড়লেন। অনেকেই ব্যাঙ্ক ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে জিপসি কিনেছেন। এঁদের রুজি-রোজগারের কী হবে?”

এছাড়া তিনি প্রশ্ন তোলেন,”বাজারের ক্ষেত্রে যদি আংশিক লকডাউন করা হয়, তবে জঙ্গলের ক্ষেত্রে কেন করা হবে না? এতে অন্তত জিপসি চালক, ট্যুরিস্ট গাইডদের রোজগারের জায়গাটা একেবারে বন্ধ হত না।”